যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হাতে বন্দি ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হবে, এমনটা আগেই জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এবার মাদুরোর বন্দি অবস্থার ছবিও প্রকাশ করলেন তিনি।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) মধ্যরাতে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে নিজ বাসভবন থেকে আটকের পর হেলিকপ্টারে এনে মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজে তোলা হয়।
সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে ট্রাম্পের পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, ছাই রঙের ট্র্যাক স্যুট পরে আছেন মাদুরো। কালো বন্ধনী দিয়ে তার চোখ বাঁধা। হাতে রয়েছে একটি পানির বোতল।

এছাড়া তার কানে বিশালাকৃতির হেডফোনও আছে। মাদুরোর সাথে তার স্ত্রী রয়েছেন কিনা সেটি স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের প্রকাশিত ছবিতে তার স্ত্রীকে দেখা যায়নি।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাদুরো তাদের যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ইও জিমাতে আছেন।
তিনি ফক্স নিউজকে বলেন, তারা ইউএসএস ইও জিমা জাহাজে আছে, তারা জাহাজে। তাদের নিউইয়র্কে নেওয়া হবে। হেলিকপ্টারে তাদের প্রথমে প্রাসাদ থেকে বের করে আনা হয়। তারা হেলিকপ্টারে খুব ভালো একটি ফ্লাইটে করে গেছেন— আমার বিশ্বাস তারা এই ফ্লাইট খুব পছন্দ করেছেন। কিন্তু মনে রাখুন, মাদুরো ও তার স্ত্রী অনেক অনেক মানুষকে হত্যা করেছেন।
এর আগে ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে আজ শনিবার সকালে হামলা চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তবে ভেনিজুয়েলা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ খবর নিশ্চিত করেনি। যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোর বিরুদ্ধে ‘মাদক রাষ্ট্র’ চালানো এবং নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনেছে। অন্যদিকে, ২০১৩ সালে হুগো চাভেজের উত্তরসূরি হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করা মাদুরো দাবি করে আসছেন, ওয়াশিংটন ভেনিজুয়েলার তেলের রিজার্ভ দখল করতে চায়, যা বিশ্বের বৃহত্তম।
প্রেসিডেন্ট মাদুরোর জীবিত থাকার প্রমাণ চায় ভেনিজুয়েলা
মাদুরো ও তার স্ত্রীকে কোথায় নেয়া হচ্ছে, জানালেন ট্রাম্প