হন্ডুরাসের নারী বন্দিদের কারাগারে দাঙ্গায় যে ৪৬ জন কয়েদি নিহতদের কারও কারও দেহে পুলিশের বুলেট পাওয়া যাওয়ায় সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে পুলিশের সম্ভাব্য যোগসাজশ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বলে দেশটির এক ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
হন্ডুরাসের ডেপুটি নিরাপত্তামন্ত্রী জুলিসা ভিয়ানুয়েভা জানান, রাজধানী তেগুসিগালপার প্রান্তে জুনে ওই কারাগারে দাঙ্গা চলার সময় এমএস-১৩ অপরাধী দলের সদস্যদের গুলি করে ও পুড়িয়ে মারা হয়, তাদের কয়েকজনের মরদেহে পুলিশের ১৫টি বুলেট পাওয়া গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী অপরাধী দল বারিও ১৮-র সদস্যরা এসব গুলি ছুড়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। খবর রয়টার্স’র।
একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভিয়ানুয়েভা এসব কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার তার ফেসবুক পেজে শেয়ার করা হয়।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বলছে, যে বুলেটগুলো পাওয়া গেছে সেগুলোর ৯৬ শতাংশ পুলিশের।’ তদন্তে যা উঠে এসেছে তাতে ওই দাঙ্গায় পুলিশের যোগসাজশ আছে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে, যোগ করেন তিনি।
রয়টার্স জানিয়েছে, ওই কারা দাঙ্গা হন্ডুরাসের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। মন্ত্রীর এই অভিযোগের বিষয়ে দেশটির পুলিশের এক মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
কতগুলো মরদেহের শরীরে বুলেট ছিল, কতগুলো বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে বা এগুলোও পুলিশের কিনা, না অন্য কোনো উৎস থেকে এসেছে- ভিয়ানুয়েভা অবশ্য তা জানাননি।
তিনি বলেছেন, ‘এর মনে কী? অবশ্যই কোথাও একটা ষড়যন্ত্র ছিল। কাদের সঙ্গে? ঘটনার সময় সেখানে যারা ছিল, পুলিশের চৌকিগুলোতে যারা পাহারায় ছিল। তারা এক পক্ষকে অস্ত্র দিয়েছে কিন্তু অন্যদের দেয়নি।’
তবে বুধবার দেশটির নিরাপত্তামন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেছেন, কারাগারের ভেতর থেকে যে ১৯টি বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে মাত্র একটি আগে পুলিশের সম্পত্তি ছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওই কারাগারের আগের প্রশাসন পুলিশের জন্য যেসব অস্ত্র, গুলি ও এমনকি গাড়ির আদেশ দিয়েছিল সেগুলো কখনই সরকারি সম্পত্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
ইকুয়েডরে কারাগারে দাঙ্গা, নিহত ১৫