হাইতির প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করেছে সশস্ত্র বিদ্রোহী দলগুলো। এসময় পুলিশ ও সেনাদের সাথে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
সোমবার টাউসাইন্ট লুভারচার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন করে হামলা চালায় বিদ্রোহীরা। ঘটনার পর বিমানবন্দরটিতে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে সবগুলো ফ্লাইট। মঙ্গলবার মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া সহিংসতার জেরে হাইতিতে জরুরি অবস্থা ও কারফিউ জারির কয়েক ঘণ্টা পরই নতুন এ হামলার ঘটনা ঘটে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, সশস্ত্র বিদ্রোহীরা বিমানবন্দরটির দখল নিতে পেরেছে কিনা, তা জানা যায়নি। তবে এপি জানিয়েছে, তাদের সাংবাদিকরা বিমানবন্দরে একটি সাঁজোয়া ট্রাক প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখেছে। হামলার সময় বন্দরের কর্মকর্তা ও কর্মীরা পালিয়ে যায়। যাত্রীদেরকেও এদিক-সেদিক ছুটাছুটি করতে দেখা যায়। তবে পুলিশ ও সেনারা বিদ্রোহীদের বিমানবন্দর চত্বরে প্রবেশে বাধা দেয়।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের ৮০ শতাংশের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে বিদ্রোহী দলগুলো। কারণ তারা ক্রমবর্ধমানভাবে তাদের কার্যক্রম সমন্বয় করছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো বিভিন্ন সরকারি ভবনগুলো বেছে নিচ্ছে। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরির পদত্যাগ দাবি করেন বিদ্রোহী দলগুলোর নেতারা।
পোর্ট-অ-প্রিন্সের দ্রুত অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক।
গত সপ্তাহেই হাইতির দুইটি কারাগার -একটি পোর্ট-অ-প্রিন্স এবং অন্যটি কাছাকাছি ক্রোয়েক্স ডেস বুকেটে, হামলা চালায় বিদ্রোহী দলগুলো। এসময় সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন পুলিশ নিহত হয়। কারাগার থেকে পালিয়ে যায় তিন হাজার ৭০০ বন্দি।
হাইতিতে কারাগারে সশস্ত্র হামলায় মুক্ত চার হাজার বন্দি