পাকিস্তানের নবনির্বাচিত জাতীয় পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে বৃহস্পতিবার হট্টগোল ও বিক্ষোভ হয়েছে। অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলার অনুমতি না পাওয়ায় বিক্ষোভ করেন পার্লামেন্টের পিটিআই সমর্থিত সদস্যরা।
এর আগে সকালে অধিবেশনের শুরুতে পার্লামেন্টের সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার রাজা পারভেজ আশরাফ। শপথ নেওয়ার পরপর পিটিআই-এসআইসির আইনপ্রণেতারা পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলার অনুমতি চান। তবে এ দাবি নাকচ করে দিয়ে স্পিকার বলেন, আগে নতুন পার্লামেন্ট সদস্যদের রেজিস্ট্রারে সাক্ষরে করতে হবে। তার আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলার সুযোগ নেই।
এসময় পিটিআই-সমর্থিত পার্লামেন্ট সদস্যরা স্পিকারের আসনের পাশে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। এরপর স্পিকার তাদের শান্ত করে নিজ নিজ আসনে বসার আহ্বান জানান।
পিটিআই সমর্থিত আইনপ্রণেতারা সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলে (এসআইসি) যোগ দিয়েছেন। রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে কারাবন্দি ইমরান খানের কয়েদি নম্বর উল্লেখ করে ‘কয়েদি নম্বর ৮০৪’ বলে স্লোগান দেন তারা। এ সময় পিএমএল-এন সদস্যরা ‘ঘড়ি চোর’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
পাকিস্তানের নির্বাচনের প্রায় দুই সপ্তাহ পর নানা নাটকীয়তা শেষে জোট সরকার গঠনে মতৈক্যে পৌঁছেছে দুই রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি পদ দুটির মনোনয়ন তারা ভাগাভাগি করে নিয়েছে।
এতে পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট হতে পারেন পিপিপি নেতা আসিফ আলি জারদারি এবং শাহবাজ শরিফ হবেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী। গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনে দোদুল্যমানতা দেখা দিয়েছিল।
পুলিশ অফিসারের দোপাট্টা ঠিক করে বিতর্কিত মরিয়ম