সবাইকে স্বাগত জানানো হয় যে গ্রামে

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:৫৯ পিএম

বিশ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের বাসিন্দা টনি অ্যান্ডারসন স্নোবোর্ডে করে হাকুবাতে এসেছিলেন। তিনি এতই মুগ্ধ হন যে এরপর নাগানো থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পশ্চিমে জাপানি আল্পসে অবস্থিত গ্রামটিতে আবার ফিরে যান। এই গ্রামে তিনি জমি কিনে বসবাস শুরু করেন।

হোটেল ব্যবসায়ী অ্যান্ডারসন বলেন, হাকুবার আতিথেয়তার সংস্কৃতি অসাধারণ। তারা সকল পর্যটককে স্বাগত জানায়। অ্যান্ডারসন জানান, তিন যখন পর্যটক হিসাবে এখানে ভ্রমণ করেছিলেন, তখন তিনি হোটেলগুলোতে দেখতে যান যে কীভাবে এখানের হোটেলে বুকিং করতে হয়। তিনি দেখলেন, তাকে দূরে পাঠানোর পরিবর্তে, হোটেলকর্মীরা তাকে হলওয়েতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলো। তিনি বলেন, তাদের নীতি কখনোই কাউকে বিমুখ করা নয়। সবাইকে স্বাগত জানায় তারা।

আতিথেয়তার এই ঐতিহ্যটি সম্ভবত ব্যবহারিক কারণেও বিকশিত হয়েছে। যখন তুষারের সময় আসে, তখন কখনও কখনও রাস্তায় চলাচলে এত সমস্যা হয়, কেউ চােইলেও চলে যেতে পারবেন না। সেই সময়েও পর্যটকরা হাবুকাতে আরামে থাকতে পারেন।  হাকুবা ১০টি ভিন্ন ভিন্ন স্কি রিসোর্ট দ্বারা বেষ্টিত। ১৯৯৮ সালে নাগানো শীতকালীন অলিম্পিকের অনেক ইভেন্টের আয়োজন করেছিলেঅ। বসন্তে যখন চেরি ফুল ফোটে, তখনও পাহাড়ে স্কি করার জন্য যথেষ্ট তুষার থাকে এখানে।

যদিও হাকুবা শীতকালের জন্য বিখ্যাত, তবে এই গ্রাম সারাবছর ঘুরে দেখার মতো। অ্যান্ডারসন জানান, গ্রীষ্মে তিনি এখানের পাহাড়ে হাইকিং করতে পছন্দ করেন। শরৎকালে, এটি দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় যারা শরতের পাতা দেখতে ভালোবাসেন। এবং হাকুবার বসন্ত - ঋতুও জনপ্রিয়।

অ্যান্ডারসন বলেন, এমন কোনো দিন নেই যেখানে আমি পাহাড়ের দিকে তাকাই না এবং সত্যিই এই জায়গাটি কতটা সুন্দর তার প্রশংসা করি।

একাত্তর/পিএজে/কেএসএইচ
জাপানি খাবার বলতে বাঙালি সমাজে অনেকেই চেনে ‘সুশি’, ‘রামেন’, ‘টেম্পুরা প্রন’, ‘তোফু’ ইত্যাদি। আর ঝাঁঝের জন্যে মনে করিয়ে দেয় ‘ওয়াসাবি’র কথা।
মুটিয়ে যাওয়া এখন উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে মোটামুটি জাতীয় সমস্যা। এই হার বাড়ছে অবিশ্বাস্য গতিতে। পাশাপাশি ওজন কমানোর জন্য নানা ধরণের টিপস ঘুরছে চারপাশে। কিটো ডায়েট, লো কার্ব ডায়েট, ইন্টারমিটেন্ট...
ভ্রমণপিপাসু যারা ঘুরতে পছন্দ করেন, তাদের কাছে প্রমোদতরীতে মহাসাগর ভ্রমণ নিশ্চয় মহা আনন্দের। কারণ, সমুদ্রের নীল জলরাশির সৌন্দর্য আপনার মনকে প্রশান্তি দেবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এ যেন সত্যিই ভাসমান...
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০২৬ বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন, আর তা নিয়ে গোটা দুনিয়াজুড়ে উন্মাদনা এখন চরমে! লাতিন বনাম ইউরোপীয় ফুটবলের এই ধ্রুপদী লড়াইয়ের চেয়েও...
স্পেনের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে তীব্র উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে আর্জেন্টিনার ফুটবল ভক্তদের। আর এই স্নায়ুচাপ সামলাতে আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের এখন একমাত্র ভরসা, নানা অদ্ভুত আর...
বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটা যে দলের হাতেই উঠুক না কেন, তারা শুধু ফুটবলের ইতিহাসেই অমরত্ব পাবে না, একদম টাকার পাহাড়ে ভেসে যাবে! এবারের বিশ্বকাপে ফিফা তাদের আর্থিক পুরস্কারের পরিমাণ বাড়িয়ে রেকর্ড ১.২৫...
এবারের ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি যেন পুরোপুরি, আমেরিকান ফুটবলের ফাইনাল হিসাবে পরিচিত সুপার বোলের আদলে রূপ নিতে যাচ্ছে, যেখানে প্রথমার্ধের বিরতিতে পারফর্ম করবেন জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, শাকিরা...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর