কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও শতভাগ পূরণ হয়নি হজযাত্রী নিবন্ধন। এজন্য অর্থনৈতিক সংকট আর রাজনৈতিক অস্থিরতাকে দায় দিচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা ও হজ এজেন্টরা।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আব্দুল হামিদ জমাদ্দার বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে হাজীদের নিবন্ধনে আগ্রহ কম। আর হাব বলছে, একদিকে ডলারের বাড়তি দাম, অন্যদিকে ওমরা পালনে আগ্রহ বাড়ায় হজে নিবন্ধন কমেছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এবার এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটার বিপরীতে মাত্র ৫৩ হাজার ১১৫ জন নিবন্ধন করেছেন। সরকারি কিংবা বেসরকারি, কোনো কোটাই পূরণ হয়নি।
এবছর সরকারি সাধারণ প্যাকেজের খরচ গত বছরের চেয়ে ৯২ হাজার ৪৫০ টাকা কম। বেসরকারি সাধারণ প্যাকেজে কমেছে প্রায় ৮৩ হাজার টাকা।
ধর্ম সচিব মু. আব্দুল হামিদ জমাদ্দার জানান, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। তাই বারবার সময় বাড়িয়ে এবং প্রচার করেও নিবন্ধনের কোটা পূরণ হয়নি।

তিনি বলেন, গতবারের হিসেবে আমরা ভেবেছিলাম- এবারও এক লাখের বেশি হবে হাজীর সংখ্যা। কিন্তু এবার তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, সৌদি সরকারকে হাজীর সংখ্যা জানাতে না পারলে থাকা, খাওয়াসহ নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে হয়। তাই নতুন করে আর সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই।
হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসেন তসলিম বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনেকে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন। তারাও এখন আর নিবন্ধনে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমায় হজের খরচও বেড়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খরচ এবং সময় কম হওয়ার কারণে ওমরার প্রতি বেশি ঝুঁকছে মানুষ।
হজ প্যাকেজ ঘোষণা, কমলো খরচ