চার দফা দাবিতে ‘গণছুটির’ নামে অনুপস্থিত থাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে। নচেৎ তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি অত্যাবশ্যক পরিষেবা হওয়ায় এই সেবায় বাধাদান বা বিঘ্ন ঘটানো অত্যাবশ্যক পরিষেবা আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া পূরণে প্রচেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সরকার সংবেদনশীল। পল্লী এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কাজে নিয়োজিত এবং গণছুটির নামে অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চাকরি বৈষম্য দূরীকরণ ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ বন্ধসহ চার দফা দাবিতে রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য গণছুটিতে গেছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।
পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পল্লী বিদ্যুতের সংস্কার, চাকরি বৈষম্য দূরীকরণ ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আজ সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে যান পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা। আন্দোলন চলাকালীন বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য উপকেন্দ্রগুলোতে দুই জন করে বিদ্যুৎ কর্মী অবস্থান করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের জানুয়ারি থেকে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) শোষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন শুরু হয়। দাবি আদায়ে সবশেষ গত মে ও জুন মাসে শহীদ মিনারের ১৬ দিন অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। যদিও দাবি আদায়ে গত ২৩ অক্টোবর বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটি রিপোর্ট জমা দেয় আ মাস পর জুন মাসে। যদিও সে রিপোর্ট এখনও প্রকাশ বা বাস্তবায়ন শুরু করেনি সরকার। এছাড়া গত ১৭ জুন আরও দুটি কমিটি গঠন করা হয়। এসব কমিটি এখনও কোনো রিপোর্ট জমা দেয়নি। তাই তারা আবার আন্দোলনে নেমেছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী ইন্ধন বলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তারা কারো ইন্ধনে আন্দোলন করছেন না।
