ঢাকা ওয়াসার সমবায় সমিতির ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি পরিচালনা করতো ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ সমিতির সদস্য নন এমন ব্যক্তিরা।
তাই, শত শত কোটি টাকা লোপাটকারীদের বাঁচাতে এবার মরিয়া ঢাকা ওয়াসা ও জনতা ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখা।
নির্বাচনের দেড় বছর পার হলেও, নতুন কমিটিকে ব্যাংক লেনদেন করতে দেয়া হচ্ছে না। আর সমবায় সমিতির অফিসে তালা ঝুলিয়েছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ।
কারণ, ওয়াসার এমডি চাননি নির্বাচনের মাধ্যমে সমবায় সমিতির দায়িত্বভার হস্তান্তর হোক। সমিতির নির্বাচিত নেতৃত্বের অপরাধ ওয়াসা কর্তৃপক্ষের নিষেধের পরও নির্বাচন করা।
২০২০ সালের ২৬ ডিসেম্বর সমিতির নির্বাচন হয় সমবায় অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে। ঢাকা ওয়াসা ভবনের পঞ্চম তলায় অবস্থিত সমিতিটি সমবায় অধিদপ্তরে নিবন্ধিত।
তালা ঝোলানোই শেষ নয়, জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ সমিতির সদস্যই নন এমন ব্যক্তিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল ওয়াসা কর্তৃপক্ষ।
সমিতির একাউন্ট থেকে ১৭৫ কোটি টাকা লোপাটের সত্যতা মিলেছে অডিটে। তাই নির্বাচিত কমিটিকে ব্যাংক লেনদেন করতে না দেয়ার জন্য চিঠি দেয় ওয়াসা।
আর্থিক অনিয়মের সাথে জড়িত জনতা ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার একাধিক কর্মকর্তা। এ কারণে গেল এক বছরেও নতুন কমিটিকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে দেয়া হচ্ছে না।
এমনকি অ্যাকাউন্ট পরিচালনা নিয়ে জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের আইনি মতামতও পাত্তা দেয়া হয়নি জানালেন ব্যাংকটির ডিজিএম খুরশিদ আলম।
তবে, ব্যাংকের কর্মকর্তারা কীভাবে সমবায় সমিতির ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করে, এমন প্রশ্নের উত্তর মেলেনি জনতা ব্যাংকের এই কর্মকর্তার কাছ থেকে।
সমবায়ে নিবন্ধিত কোনো সংগঠনের বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের সিদ্ধান্ত দেয়ার আইন পরিপন্থী। তাই দ্রুত নতুন কমিটিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার তাগিদ দিয়েছে সমবায় অধিদপ্তর।
