সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার অবাধ চলাচল নিয়ে ব্যাপক আপত্তি থাকলেও বিদ্যুৎচালিত গাড়ি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।
তবে, অফপিক আওয়ার বা রাতে চার্জ দেয়ার বাধ্যবাধকতার পাশাপাশি সোলারভিত্তিক চার্জিং স্টেশন বসানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, বিদ্যুতচালিত গাড়িগুলোই গণপরিবহন খাতের ভবিষ্যৎ।
সারাদেশের জেলা-উপজেলাগুলো ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ইজিবাইক যানজটের অন্যতম কারণ হলেও গ্রামীণ যোগাযোগের অন্যতম বাহন এখন ত্রিচক্র যানটি।
রিচার্জেবল ব্যাটারিতে চলে এই বাহন। বিদ্যুৎ সঙ্কটের এই সময় এসব বাহন কতোটা বিদ্যুৎ খরচ করছে তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, বিশ্বজুড়েই কিন্তু জনপ্রিয় হচ্ছে বিদ্যুতচালিত বাহন।

এরিমধ্যে আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারে বিদ্যুতচালিত গাড়ির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। এশিয়ার চীন-জাপানসহ বড় অর্থনীতির দেশেও বিদ্যুতচালিত গাড়ি চলাচল শুরু হয়েছে।
দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বিশ্বের খনিজ জ্বালানি। তাই, পরিবহন ব্যবস্থা হয়ে উঠছে বিদ্যুৎ নির্ভর। দেশে ডিসেম্বরে শুরু হতে যাওয়া মেট্রোরেলও চলবে বিদ্যুতে।
কারণ এটি তেল গ্যাস নির্ভর জ্বালানির চেয়ে সাশ্রয়ী। তাই বিদ্যুতচালিত বাহনগুলোকে শৃঙ্খলায় আনার কথা বলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন।
মাত্র কয়েক বছর আগে শুরু হওয়া ব্যাটারিচালিত বাহনগুলোর সাথে যুক্ত আছে দেশের অন্তত ১৫ লাখ মানুষের রুটি রুজি। তাই বন্ধ না করাটাই সমাধান নয়।
জ্বালানি উপদেষ্টাও বলছেন, ভবিষ্যতে বিদ্যুতচালিত গাড়িই হয়ে উঠবে সুলভে চলার অন্যতম চাবিকাঠি। তাই বিদ্যুতচালিত গাড়ির ব্যবস্থাপনাকে শৃঙ্খলায় আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: নতুন ভাড়া নিয়ে বিপাকে যাত্রী ও বাসমালিক দু’পক্ষই
তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী বলেন, খনিজ জ্বালানি উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে এখন গোটা বিশ্ব তৎপর। বাংলাদেশকেও আগামীতে সেই পথেই যেতে হবে।
বিদ্যুতচালিত গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হলেও, ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় ব্যাটারিচালিত রিকশার পক্ষে নন এই উপদেষ্টাসহ কোন পক্ষই।
একাত্তর/আরএ
