বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে দেদারে বিক্রি হচ্ছে আতশবাজি। রাজধানীর চকবাজার আর শাঁখারীবাজারে ইংরেজি বছরের শেষ দিনে ছিলো উপচেপড়া ভিড়।
বিক্রেতারাও জানান, এবার ফানুস আর আতশবাজির বাম্পার বিক্রি। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, সুযোগ বুঝে ফানুস আর আতশবাজি দুটোরই দাম বেশি।
বাংলা বর্ষের চেয়ে ইংরেজি বর্ষবরণে অনেক বাঙালিরই ঝোঁক বেশি। সেজন্য প্রতি বছর ভিড় বাড়ছে ফানুস আর আতশবাজির দোকানে।

করোনার মন্দা কাটিয়ে তাই এবার ফানুস আর আতসবাজির বাজার রমরমা। বছরের শেষ দিনে রাজধানীর চকবাজারে ছিলো ফানুস কিনতে আসা মানুষের উপচেপড়া ভিড়।
পাইকারিতে ফানুস বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ২৬ থেকে ৩০ টাকায়। আর বড় আকারের কিনতে গুণতে হচ্ছে প্রায় দেড়শ টাকা। ক্রেতারা জানালেন, চাহিদা দেখে দাম বাড়ানো হয়েছে।
তবে বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ উপলক্ষে দেদারে বিক্রি হচ্ছে আতশবাজি। বিক্রি হচ্ছে জরির মালা। ঘর কিংবা দোকান সাজাতে এগুলোও বিক্রি হচ্ছে বেশ।

তবে ক্রেতারা বলছেন, ফানুস আর আতশবাজি দুটোরই এবার দাম বেশি। গেলো বারের চেয়ে এবার অরেক বেশি দিয়ে তাদের এসব পণ্য কিনতে হচ্ছে।
গত বছরে থার্টি ফার্স্টের রাতে ওড়ানো ফানুসে রাজধানীর ১০টি স্থানসহ সারাদেশ ২০০ মতো স্থানে আগুনের ঘটনা ঘটেছিলো।
আরও পড়ুন: থার্টিফার্স্টে আতশবাজি ও উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা
থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন ঘিরে ডিএমপির ১৩ দফা নির্দেশনার একটিতে বলা হয়েছে, কোথাও কোনো ধরণের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না।
একাত্তর/এসি
