সাভারের হেমায়েতপুরে কাঁচা চামড়ার আড়ৎ অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা। পোস্তার ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আগের পাওনা টাকা না শোধ করে ওই বাজার থেকে ট্যানাররা চামড়া সংগ্রহ করছেন।
দ্রুত এই আড়ৎ সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে ট্যানাররা বলছেন, হেমায়েতপুরের অবৈধ এই আড়তের পরিবেশ যেমন বিদেশি ক্রেতাদের কাছে কম্প্লায়েন্স ইস্যুকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, তেমনি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি করছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, পোস্তার কাঁচা চামড়ার আড়তের সঙ্গে ট্যানারি মালিকদের ব্যবসা যুগ যুগের। সারাবছর যে চামড়ার লেনদেন বাকিতে হয়; কোরবানি ঈদের আগে তার দাম পরিশোধ করে নতুন হিসাব খুলে থাকেন পোস্তার ব্যবসায়ীরা।
আড়তদারদের অভিযোগ, আগের পাওনা পরিশোধের ভয়ে ট্যানাররা এখন পোস্তা থেকে চামড়া সংগ্রহ না করে হেমায়েতপুরে গড়ে ওঠা অবৈধ আড়ৎ থেকেই চামড়া সংগ্রহ করছেন।

হেমায়েতপুর গিয়ে দেখা গেছে, চামড়া কিনতে এবারও প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। পরিবেশের ছাড়পত্র বা কোনো রেজিস্ট্রেশন না থাকলেও ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে ২০১৯ সাল থেকেই পোস্তাকে এড়িয়ে তারা এই বিকল্প বাজার তৈরির চেষ্টা করছেন। যদিও তাদের দাবি নিয়ম মেনেই তারা ব্যবসা করছেন।
লেদার ফিনিস গুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট দিল জাহান ভুঁইয়া বলেন, হেমায়েতপুরের আড়ৎ এখানকার পরিবেশ কম্প্লায়েন্স ইস্যুকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আবার কাঁচা চামড়ার দামের সঙ্গে রপ্তানিযোগ্য চামড়ার দাম নিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করছে। এমন অস্থায়ী বাজার পুরো খাতকেই বিশৃঙ্খল করছে।
আরও পড়ুন: কোরবানির ঈদ ঘিরে অর্থনীতিতে গতি
হাইড অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশান সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান বলেন, কাঁচা চামড়ার ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি পরিবেশ ইস্যু জড়িত থাকায় যততত্র এ ব্যবসা চলতে দেওয়া উচিত নয়।
একাত্তর/এসি
