ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সেরেছে নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানালেন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম। আর ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, নির্বাচনে নিরপেক্ষতার প্রমাণ না পেলে নাকে খত দিয়ে চলে যাবেন। এদিকে নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা।
ঢাকা ১৭ আসনে উপনির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা। প্রতিদিন আসনটির বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা।
নির্বাচনী পরিবেশ ভালো আছে দাবি করলেও অভিযোগ আছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের। কালো টাকা ছড়ানো ও বল প্রয়োগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আড়াই ঘণ্টার বৈঠক শেষে ইসি সচিব জাহাংগীর আলম বলেন, কমিশনের সুস্পষ্ট বার্তা হলো একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন করা।
নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাংগীর আলম বলেন, এই কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার প্রথম ব্যালট ও ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এমন একটি জায়গায় নির্বাচন হবে যেখানে আমাদের তিন ধরনেরই অবস্থান। এক হল কূটনৈতিক অবস্থান, দুই ঢাকার সবচেয়ে ধনী এলাকা এবং এর মধ্যে দুই-তিনটি বস্তি এলাকাও আছে। যার কারণে আমরা প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে নির্দেশনা দিয়েছি।
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বলেন, ভোটে শতভাগ নিরপেক্ষ থাকবে পুলিশ। নিরপেক্ষতার প্রমাণ না পেলে নাকে খত দিয়ে চলে যাবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, আমি ১০০ ভাগ গ্যারান্টি দিলাম- আপনারা নির্বাচন দেখেন।
আরও পড়ুন: বিদেশি প্রভুদের দিকে মুখিয়ে আছে বিএনপি: কাদের
তিনি বলেন, কমিশনের চাহিদা মোতাবেক অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে যা যা করণীয় সব ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
একাত্তর/আরএ
