নতুন ট্রেনের জন্য বিএনপিকে এখন অপেক্ষা করতে হবে-এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন তুলেছেন, বিএনপির আস্ফালন কোথায় গেলো।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি এখন অনেক কথাই বলবে। কিন্তু বিএনপির আস্ফালন কোথায় গেলো? জনগণকে নিবৃত করার চেষ্টা করেছে।
নির্বাচনে অনেক দেশ পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে মন্তব্য করেন তিনি বলেন, নির্বাচন পাতানো ছিলো না। নামিদামি দেশ পর্যবেক্ষণ করেছে।
‘এমনকি নির্বাচনের পর বিভিন্ন দেশ অভিনন্দন জানালো। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসও অভিনন্দন জানিয়েছেন সরকারকে,’ বলেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, বিএনপি বর্জন করেছে, এ ছাড়া এ নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা বলার নেই। ভালো নির্বাচন হয়েছে। সে প্রশংসাও আসছে।
‘কেবল তারা নির্বাচনকে গ্রহণ করতে পারছে না, এখন বলছে সংসদ অবৈধ,’ বলেন কাদের।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, জিয়াউর রহমানের মতো প্রহসনের নির্বাচন, মাগুড়ার মতো ভোট কারচুপির নির্বাচন করলেই কি নির্বাচন বৈধতা পাবে।
গত সাত জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচন বয়কট করায় নতুন রণকৌশল নিতে হয়েছে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য বড় অংশ। জনগণের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে রণকৌশল নিতে হয়েছে। যার সোনালি ফসল ঘরে তুলেছি। দু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে।
বিএনপিকে অন্তত আওয়ামী লীগকে নির্বাচন শেখাতে হবে না – মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে ভালো নির্বাচন করেছেন শেখ হাসিনা। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করেছে। গণতন্ত্রের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হবে। নতুন ট্রেনের জন্য বিএনপিকে অপেক্ষা করতে হবে। বিএনপিকে পাঁচ বছর ধৈর্য ধরতে হবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পিটার হাসের 