কিছু কিছু ক্রীড়াবিদের জন্মই যেন হয়, রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়তে। তেমনই এক ক্রীড়াবিদ বিশ্ব টেনিসের শীর্ষ তারকা নোভাক জকোভিচ। আবারও নতুন ইতিহাস নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি। টেনিস সার্কিটের অন্যতম প্রাচীন গ্রান্ড স্লাম ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জিতে ফেদেরার, নাদালকে পেছনে ফেলে ২৩ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক বনে গিয়েছেন এই সার্বিয়ান সুপারস্টার।
ফরাসি ওপেনের ফাইনালে নরওয়ের ক্যাসপার রুডকে সরাসরি সেটে হারিয়ে ট্রফি জেতেন বিশ্ব টেনিস দুনিয়ায় ‘জকো’ হিসাবে খ্যাত এই তারকা। খেলার ফল ৭-৬, ৬-৩, ৭-৫। ক্লে কোর্টের সম্রাট বলা হয় নাদালকে। সেই লাল-সুড়কির কোর্টেই রাফার সিংহাসন কেড়ে নিলেন জকো।
শুধু ২৩ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতাই নয়, জোকোভিচ আরও কিছু নজির গড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ৩৬ বছর ২০ দিন বয়সে রোলাঁ গারো ট্রফি জিতলেন এই সার্ব সুপারস্টার। এছাড়া তিনি বিশ্বের প্রথম টেনিস খেলোয়াড়, যিনি টেনিসের প্রতিটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম অন্তত তিনবার করে জিতেছেন।

এবার প্রতিযোগিতা থেকে নাদাল নাম তুলে নিয়েছিলেন। যদিও সেই নাদালের প্রিয় কোর্টেই যেন স্প্যানিশ আর্মাডার সিংহাসন দখল করেনিলেন সার্বিয়ান সিংহ। ৩৬ বছর বয়সেও যেই গতিতে এগোচ্ছেন জকো তাতে তার ক্যাবিনেট গ্র্যান্ড স্ল্যামের সংখ্যা কোথায় থামে সেটাই দেখার।
রোববার রাতে চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট নিশ্চিত হতেই হাত থেকে র্যাকেট ফেলে দিয়ে কোর্টে শুয়ে পড়লেন নোভাক জকোভিচ। একটু পর উঠে দাঁড়ালেন। প্রতিপক্ষের সঙ্গে করমর্দনের পর ছুটে গেলেন গ্যালারিতে। একে একে জড়িয়ে ধরলেন পরিবারের সদস্যদের।

তিনি বলেন, আমি খুবই সৌভাগ্যবান যে আমার জীবনে ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছি। অবিশ্বাস্য। সাত বছর বয়সে স্বপ্ন দেখছিলাম, একদিন আমি উইম্বলডন জিতব এবং বিশ্বের এক নম্বর হব। এখানে দাঁড়িয়ে আমি কৃতজ্ঞ এবং ধন্য।
আরও পড়ুন: ইভিএমে কোথাও কোথাও ধীর গতি, তাৎক্ষণিক সমাধান: ইসি
সোমবার র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরতে যাওয়া জোকোভিচ তরুণদের জন্য দিলেন একটি বার্তা। তিনি বলেন, আমি মনে করি আমার নিজের ভাগ্য তৈরি করার ক্ষমতা আমার ছিল। আমি প্রত্যেক যুবককে বলতে চাই, যদি তুমি ভালো ভবিষ্যত চাও তাহলে নিজেই এটি তৈরি করতে পারো।
একাত্তর/আরবিএস
