উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে শুধু পর্তুগালকে বড় জয়ের পথেই রাখেননি, বিশ্বকাপ ইতিহাসেও একাধিক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মঙ্গলবার হিউস্টোনে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘কে’-এর ম্যাচে মাঠে নেমে চারটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড নিজের করে নেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই গোল করে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন রোনালদো। সেই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন তিনি। ২০০৬ সালে ইরানের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ গোলের পর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ আসরেও গোলের দেখা পেয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে ১১টি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে গোল করার নজির গড়েছেন রোনালদো, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। মেজর টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক গোল করার ক্ষেত্রেও এটি নতুন এক রেকর্ড।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে যান তিনি। ছয়টি বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচ খেলে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১০-এ। এতে তিনি ছাড়িয়ে যান কিংবদন্তি ইউসেবিওকে, যার নামের পাশে ছিল ৯ গোল। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে মাত্র ৬ ম্যাচ খেলেই সেই কীর্তি গড়েছিলেন ইউসেবিও।
৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে গোল করে রোনালদো আরেকটি রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন। তিনি এখন বিশ্বকাপে গোল করা সবচেয়ে বেশি বয়সী ইউরোপীয় ফুটবলার। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তার অবস্থান দ্বিতীয়। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ক্যামেরুনের কিংবদন্তি রজার মিলা, যিনি ৪২ বছর ৩৯ দিন বয়সে বিশ্বকাপে গোল করেছিলেন।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতাদের তালিকায় এরপর রয়েছেন পর্তুগালের পেপে (৩৯ বছর ২৮৩ দিন), আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (৩৮ বছর ৩৬৩ দিন) এবং সুইডেনের গানার গ্রেন (৩৭ বছর ২৩৬ দিন)।
রোনালদোর এই রেকর্ডময় রাত পর্তুগালের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনাও আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
রেকর্ড গড়ে ফিরলেন রোনালদো, নকআউটের দুয়ারে পর্তুগাল
ঘানার রক্ষণে হোঁচট খেলো ইংল্যান্ড, বাড়লো অপেক্ষা