ত্যাগ ও উৎসর্গে সারাদেশের মতো পবিত্র ঈদ উল আযহা উদযাপন করছেন জাতীয় দলের ফুটবলাররা। সকালে ঈদের নামাজ জামাতে আদায় করেছেন হামজা-জামালরা।
পরিবার থেকে দূরে থাকলেও টিম হোটেলে নিজেদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন সবাই। সিঙ্গাপুর ম্যাচ জিতে দেশবাসীকে ঈদের উপহার দিতে মরিয়া লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
স্ত্রী আর সন্তান হাজার মাইল দূরে। ঈদের আনন্দটা সতীর্থদের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়া। বুকে টেনে হৃদয়ের মোলাকাত হামজা-সাদ-রহমতদের।
সকাল সকাল টিম হোটেল থেকে দলবলে বের হলেন ফুটবলাররা। সবার অপেক্ষা হামজা চৌধুরীর জন্য। সাদা পাঞ্জাবি, ট্রাউজার পরে ড্যাশিং লুকে হাজির বাংলার পোস্টার বয়।
ঈদের সালাত আদায়ের আগে ফটোসেশন। এরপর খোশমেজাজে মসজিদের পথে হাঁটা শুরু। ফাহমিদুল-সোহেলদের সকালটা শুরু খুনসুটিতে।
নামাজ শেষে কোলাকুলি, ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। হামজাকে কাছে পেয়ে ঈদের আনন্দ ডাবল ভক্তদের। সেলফি কিংবা অটোগ্রাফ নিতে হামজাকে ঘিরে ধরে ফ্যানরা।
বরাবরের মতো বিনয়ী বাংলার ফুটবল নক্ষত্র। কাউকেই করলেন না হতাশ। হোটেলে ফিরে সতীর্থদের সঙ্গে ছবি তোলা, কোলাকোলিতে সময়টাকে উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা ফুটবলারদের।
ঈসা-সুমনরা জানালেন পরিবারকে মিস করলেও দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা জরুরি। লাল-সবুজদের টিম ম্যানেজার আমের খান বলেন, ভিন্নরকম ঈদ উদযাপন হামজার। শত ব্যস্ততার মাঝেও তার ফোকাস সিঙ্গাপুর ম্যাচ।
এদিন চার ঘণ্টার মতো ছুটি পেলেও টিম হোটেলেই সময় কাটিয়েছেন বেশিরভাগ ফুটবলার।
ভুটানের বিপক্ষে নতুন ব্র্যান্ডের ফুটবল উপহার দিলো বাংলাদেশ