ফরাসি ফার্স্টলেডি ব্রিজিত মাখোঁ ট্রান্সজেন্ডার, ইন্টারনেটে এমন গুজব ছড়ানোর দায়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তিনি।
গত সেপ্টেম্বরে চরম ডানপন্থী একটি ফরাসি ওয়েবসাইটে ব্রিজিত মাখোঁকে ট্রান্সজেন্ডার বলে দাবি করা হয়। এরপর এ নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সেখানে দাবি করা হয়, মাখোঁ আসলে জন্মগতভাবে নারী নন। পুরুষ হিসেবে জন্ম নেওয়ার পর তার নাম ছিল জিন মিশেল ট্রুনো। পরে তিনি লিঙ্গান্তর করে নারীতে রুপান্তরিত হন।
ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নামটি হাজার হাজার বার উল্লেখিত হয়েছে।
এই ঘটনায় ব্যাপক চটেছেন লেডি মাখোঁ। তার আইনজীবী জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: চীনে মিললো সাড়ে ছয় কোটি বছর পুরনো ডায়নোসর ভ্রূণ
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাখোঁর বিরোধীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে ডানপন্থী রাজনৈতিক দল, টিকা বিরোধী গোষ্ঠী এবং 'কিউঅ্যানন' কন্সপিরেসি মুভমেন্ট।
এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বের সূচনা কার মাধ্যমে হয়েছিল তাও বের করে ফেলেছে ফরাসি গণমাধ্যম। জানা গেছে, নাতাশা রে নামে এক নারী ডানপন্থী একটি জার্নালে ওই নিবন্ধটি লিখেছিল। পরে এক জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলে এ নিয়ে আলোচনার পর তত্ত্বটি ছড়িয়ে পড়ে।
তবে, এ নিয়ে ব্রিজিত মাখোঁর প্রতিক্রিয়া দেখানোর সমালোচনাও করছেন অনেকে। তাদের কথা, এমন কিম্ভূতকিমাকার গুজবকে পাত্তা না দেওয়াই ভালো। তবে বোঝাই যাচ্ছে, ফার্স্টলেডি এই ধারনায় বিশ্বাসী নন!
একাত্তর/এসজে
