ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট সমাধানে দূতিয়ালি করছে তুরস্ক। এরিমধ্যে বিবাদমান দুই পক্ষকে এক টেবিলে আনছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারাতে।
এখন দেশটির নেতা রিসেফ তাইয়েপ এরোদোয়ান চাইছেন, রুশ ও ইউক্রেনের শীর্ষ নেতারা আলোচনার টেবিলে বসে নিজের মধ্যে সমস্যা মিটিয়ে ফেলুক।
শীর্ষ বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাজি হলেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাজি নন। তুরস্কের শীর্ষ কর্মকর্তারা এমনটাই জানিয়েছেন।
আঙ্কারার এক সরকারি মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরোদোয়ান চলমান যুদ্ধের অবসানের জন্য দুই দেশের নেতাদের মধ্যে একটি বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিনি জানান, জেলেনস্কি বৈঠক করতে প্রস্তুত। তবে পুতিন মনে করেন রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ে বৈঠক করার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি।
কালিন বলেন, তুরস্কের প্রস্তাবিত বৈঠকে মূল আলোচ্য বিষয় হবে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা। পরে চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলবে।
কালিন আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট এরোদোয়ানের সঙ্গে আলোচনার সময় ছয়টি মূল বিষয় তুলে ধরেন পুতিন। যাতে ইউক্রেনের নিরপেক্ষতা ও ন্যাটোতে যোগ দেয়া থেকে সরে আসার বিষয় রয়েছে।
এছাড়াও রয়েছে অস্ট্রিয়ান নিরাপত্তা মডেল অনুযায়ী ‘অসামরিককরণ’ এবং নিরাপত্তা গ্যারান্টির পারস্পরিক নীতি, রাশিয়ান ভাষার ব্যাপক ব্যবহারের জন্য সব বাধার অপসারণ।
একই সঙ্গে ডোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক, লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের স্বীকৃতি এবং রাশিয়ার ক্রিমিয়াকে সংযুক্ত করার স্বীকৃতি হবে ইউক্রেনকে।
আরও পড়ুন: পুতিনকে ফোন করলেন জেলেনস্কি, তবে...
কালিন জানান, ইউক্রেন বা বিশ্বের অন্য দেশগুলোর কেউই আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসাবে ক্রিমিয়া এবং ডোনবাস অঞ্চলে রুশ দখলদারিত্বকে সহজে স্বীকৃতি দেবে না।
তিনি যোগ করেন, রাশিয়া শক্তির অবস্থান থেকে আলোচনা করছে, তবে এটা ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে যুদ্ধ বেশিদিন চললে তা রুশ বাহিনী এবং অর্থনীতিতে আঘাত করবে।
একাত্তর/আরএ
