মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। দাফনের জন্য তার মরদেহ নেয়া হচ্ছে নোয়াখালীতে। সেখানে মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি।
শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর বিকেলে চৌমুহনী পাইলট স্কুল মাঠে জানাজা শেষে চৌমুহনী পৌরসভার আলীপুরে মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সিরাজুল আলম খান।
গত ১ জুন তাকে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।
সিরাজুল আলম খান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ছাত্রলীগের সম্মেলন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর ভাগনে শেখ ফজলুল হক মনির সঙ্গে তার মতভেদ তৈরি হয় এবং তিনি ছাত্রলীগ থেকে সরে যান।
পরবর্তীকালে তার অগ্রণী ভূমিকায় গঠিত হয় নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। তবে দলটির নেতৃত্বে না আসলেও তার দিকনির্দেশনায়ই স্বাধীনতার পর জাসদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা হতো।
একাত্তর/এসজে
