ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্য আসামে গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে বছরের প্রথম বন্যার কবলে পড়েছে ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ। টানা বৃষ্টিতে এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে রাজ্যের ১১ জেলা।
আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএসডিএমএ) জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রসহ বেশিরভাগ নদীর পানির স্তর বাড়ছে। তবে কোনোটিই এখনও বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে না।
বন্যা কবলিত জেলাগুলোর মধ্যে বিশ্বনাথ, দারাং, ধেমাজি, ডিব্রুগড়, লখিমপুর, তামুলপুর ও উদালগুড়ি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
লখিমপুরে ২৩ হাজার ৫১৬ জনেরও বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ডিব্রুগড়ে তিন হাজার ৮৫৭ জন, দাররাংয়ে দুই হাজার ৩১ জন, বিশ্বনাথে দুই হাজার ২৩১ জন এবং ধেমাজি জেলায় এক হাজার ৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এএসডিএমএ বলছে, লখিমপুরে আটটি এবং উদালগুড়িতে দুইটিসহ রাজ্যে মোট ১১টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ৭৭টি গ্রাম বন্যার কবলে রয়েছে। রাজ্যজুড়ে ২০৯ দশমিক ৬৭ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পানির তোড়ে লখিমপুর ও উদালগুড়িতে দুটি করে চারটি বাঁধ ভেঙে গেছে।
বিশ্বনাথ, বোঙ্গাইগাঁও, ডিব্রুগড়, গোলাঘাট, জোড়হাট, কার্বি আংলং পশ্চিম, লখিমপুর, মরিগাঁও, নলবাড়ি, সোনিতপুর, তামুলপুর এবং উদালগুড়ি জেলা থেকে ব্যাপক ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে এএসডিএমএ।
আরও পড়ুন: সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করছে সেনারা
ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ডিমা হাসাও এবং কামরুপ জেলার কিছু অংশেও ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে।
একাত্তর/জো
