ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের হিংসা ছড়িয়ে পড়তে পারে দিল্লিতেও। এই আশঙ্কায় দেশটির রাজধানী দিল্লিতে জারি করা হয়েছে উচ্চমাত্রার সতর্কতা বা হাই অ্যালার্ট। গত তিনদিন ধরে গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হরিয়ানা। পাঁচজনের বেশি নিহত হয়েছে। ১১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিশেষ করে হরিয়ানার সহিংসতা পাশের অভিজাত গুরুগ্রামে ছড়িয়ে পরার পর নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি। এরিমধ্যে হরিয়ানার ঘটনার প্রতিবাদে দিল্লির নির্মাণ বিহার মেট্রো স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিশ্বহিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলের সদস্যরা বিক্ষোভ করেছে।

এদিকে, হরিয়ানার মানেসরে বিশ্বম দাস মন্দিরে বুধবার বিকেল চারটায় মহাপঞ্চায়েত ডেকেছে বিশ্বহিন্দু পরিষদ। আবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নয়ডা স্টেডিয়াম থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের করার কথা ঘোষণা করেছে। এই পরিস্থিতি হাই এলার্ট জারি করেছে দিল্লির প্রশাসন।
রাজধানীতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য নেয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। নজরদারি বাড়িয়েছে স্থানীয় পুলিশ। স্পর্শকাতর এলাকায় ড্রোন দিয়ে নজরদারি করা হচ্ছে।
দিল্লির পুলিশ জানিয়েছে, পাশের রাজ্যের সংঘর্ষ যেন কোনোভাবেই রাজধানীতে প্রবেশ না করে সেজন্য সতর্ক তারা।

এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সংঘর্ষ গুরুগ্রামের ৭০ নম্বর সেক্টরে ছড়িয়ে পড়ে। যা রাজধানী দিল্লি থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মঙ্গলবার রাতে গুরুগ্রামে মুসলিমদের দোকানপাট-বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: রোমানিয়ার পাশে ইউক্রেনের শস্য গুদামে ড্রোন হামলা
সংঘর্ষের পর রাজ্যে- স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে, ট্রাফিক অচল হয়ে গেছে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এসব গুজব বিশ্বাস না করতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহবান জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার আর সেখানে বড় ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
একাত্তর/আরএ
