জিয়ার সময় গুম-খুনের বিচার দাবি ভুক্তভোগী স্বজনদের

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৩, ০৭:৫৫ পিএম

সাবেক সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতি শুরু হয় দাবি করে, ১৯৭৭ সালে প্রহসনের বিচারের নামে হত্যার শিকার হওয়া সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবার বিচার দাবি করেছেন।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে বুধবার জাতীয় জাদুঘরের সমানে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৭৭ সালে একটি জাপানি বিমান ছিনতাইকে কেন্দ্র করে কথিত সেনা অভ্যুত্থানের অভিযোগ আনা হয়। তখনকার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের তৈরি একদিনের সামরিক আদালতে বিচার করে বিমান ও সেনাবাহিনীর ১,৪০০ সেনাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। রাতে কারফিউ দিয়ে ফাঁসি কার্যকর করা হয় ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রংপুর, যশোর ও বগুড়া কেন্দ্রীয় কারাগারে।  

ফাঁসি হওয়া ১৯৩ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া মিললেও আসলে মৃতের সংখ্যা ছিল এক হাজার ১৪৩ জন। কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন সেনা ও বিমান বাহিনীর আড়াই হাজার সদস্য। ফাঁসি হওয়া অনেকের স্বজনরা কখনো তাদের মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক খবর এমনকি কবরের সন্ধানটাও পায়নি।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেন, বিদেশি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও মানবাধিকার সংস্থা বর্তমান সময়ের অল্পসংখ্যক কিছু গুমের অভিযোগে বিচার চাইলেও ১৯৭৭ সালে এতগুলো মানুষের গুম এবং বিচার ছাড়া হত্যার ঘটনা নিয়ে মুখ খোলে না।

এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন বিচার চাওয়ার মত এবং সাক্ষী দেয়ার মত অনেকেই মারা যাচ্ছেন । তাই দ্রুত এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার করা হোক।

শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও খুনের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে আগামী আট ফেব্রুয়ারি। এর মধ্য দিয়ে দেশে...
রাষ্ট্র মেরামতে সংস্কার চাইলেও, তার জন্য অনির্বাচিত সরকারকে দীর্ঘ সময় দিতে চায় না বিএনপি।
প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
সাবেক মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে অপহরণ, গুম ও হত্যার উদ্দেশ্যে...
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন হত্যাসহ হয়রানিমূলক মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদীয়...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর