কানাডায় শিখ নেতা হারদীপ সিং নিজ্জার হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টরাই জড়িত বলে আবারও দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।
শুক্রবার নিউইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেছেন, নিজ্জার হত্যাকাণ্ডের যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে। তবে কানাডার সরকারের কাছে ঠিক কী ধরনের প্রমাণ আছে সে বিষয়ে খোলাসা করেননি তিনি।
ট্রুডো বলেন, কানাডায় একটি 'কঠোর এবং স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা' রয়েছে। সেই বিচার প্রক্রিয়াগুলোকে অত্যন্ত সততার সাথে প্রকাশের অনুমতি দেয়া হয়।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিও দেশের মানুষ শ্রদ্ধাশীল বলে জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে, এ ঘটনার তদন্তে কানাডাকে ভারতের সহযোগিতা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়াও।
তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ট্রুডোর অভিযোগ ‘অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
যদিও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কানাডার নাগরিকদের ভিসা দেয়া স্থগিত করেছে ভারত।
ভারতের হয়ে কানাডায় ভিসার আবেদন প্রাথমিক যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিএলএস ইন্টারন্যাশনাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, পরবর্তী নোটিশ দেওয়ার আগ পর্যন্ত কানাডার নাগরিকদের ভারতের ভিসা দেওয়া স্থগিত থাকবে।
এর আগে গত ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশে একটি শিখ মন্দিরের বাইরে অজ্ঞাত মুখোশধারীদের গুলিতে নিহত হন ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিখ নেতা হারদ্বীপ সিং নিজ্জার। খালিস্তান আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ নেতা কানাডার নাগরিক ছিলেন। শুরু থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে আসছে কানাডা।
এই ঘটনার জেরে কানাডা দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের শেষ হবার পরপরই ভারতের সঙ্গে একটি পূর্ব ঘোষিত বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করে। পরে কানাডা থেকে ভারতের গোয়েন্দা বাহিনী রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং ‘র’ এর প্রধানকে বহিষ্কার করা হয়।
জবাবে কানাডার এক কূটনীতিককে বরখাস্তের পাশাপাশি দেশটির নাগরিকদের ভিসা দেয়া স্থগিত করেছে ভারত।
ভারতের তিন খেলোয়াড়কে ভিসা দিলো না চীন, সফর বাতিল ক্রীড়ামন্ত্রীর