পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ ২৫ জেলের এখনও খোঁজ মেলেনি। তাদের সন্ধানে প্রশাসন, পরিবার এবং ট্রলার মালিকরা সুন্দরবনসহ আশেপাশের বিভিন্ন নদীতে অভিযান শুরু করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কবলে পড়ে তারা নিখোঁজ হয়েছেন।
গেলো ১৫ নভেম্বর জেলার রাঙ্গাবালী এলাকা থেকে ৩টি ট্রলারে করে সাগরে মাছ ধরতে যান ওই ২৫ জেলে।
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে গেলো পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার তিনটি ফিশিং বোটসহ ২৫ জেলে। যাদের কারও সন্ধান না পাওয়ায় জেলে পরিবারে চলছে হাহাকার।
জেলে পরিবারগুলো বলছে, বুধবার তিনটি ট্রলারে করে মোট ২৫ জন মাছ ধরার উদ্দেশে সাগরে রওনা দেন। কিন্তু এলাকার বাকি জেলেরা ঘূর্ণিঝড়ে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলেও এই ২৫ জনের কারোই কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
মৎস্য সমিতির সভাপতি জানান, সবশেষ বৃহস্পতিবার তাদের সাথে যোগাযোগ হয়। ঝড়ের পর আর যোগাযোগ হয়নি।
কোড়ালিয়া মৎস্য সমিতির সভাপতি জহির হাওলাদার বলেন, আমরা নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ এবং সারা বাংলাদেশের থানায় এ বিষয়ে জানিয়েছি। এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
পুলিশ বলছে, জেলেদের সন্ধানে সুন্দরবনসহ আশেপাশের নদীতে অভিযান চলছে।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, তিনটি ট্রলারে মোট ২৫ জন জেলে ট্রলারসহ নিখোঁজ হন। তাদের সন্ধানে অভিযান চলছে। মালিকপক্ষও তাদের খুঁজছে। তাদের সন্ধানে সব চেষ্টা অব্যাহত আছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গভীর সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলোর অবস্থান নির্ণয়ের জন্য জিপিএস ট্র্যাকার থাকার পাশাপাশি জেলেদের নিরাপত্তায় লাইফ জ্যাকেট থাকা দরকার। এছাড়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসের জন্য রেডিও সিস্টেমেরও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ও মেরিন সায়েন্স অনুষদের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, জিপিএস ট্র্যাকারের পাশাপাশি এমন একটি ডিভাইস থাকা দরকার, যাতে তারা বিপদে আছে এই সংবাদটা আমাদের দিতে পারে। এর পাশাপাশি জেলেদের পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট আছে কিনা এটা নিশ্চিত করা ছাড়া ঘাট থেকে কোনো বোট যেতে দেয়া উচিত না।
নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানিয়েছেন স্বজনরা।
ভোলায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ, নিহত এক
আট ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল শুরু