নোয়াখালীর হাতিয়ায় কোস্টগার্ডের সাথে জলদস্যুদের গোলাগুলির ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিন জলদস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় জলদস্যুদের আস্তানা থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, চার রাউন্ড গুলি ও পাঁচটি দেশীয় রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জুলাই) হাতিয়ার বয়ারচরের টাংকির ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই জলদস্যুদের আটক করা হয়। অভিযানে আত্মরক্ষার্থে ১৮ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে কোস্টগার্ড।
আটক তিন জলদস্যু হলো লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামের মৃত মো: শাহ আলমের ছেলে মো: আব্দুর রব (৫৫), অন্য দুইজন হলো একই এলাকার আব্দুর রহিম (৩০) ও মো: রবিন (২৪) ।

হাতিয়া স্টেশন কমান্ডার লে: এ এস এম লুৎফর রহমান জানান, জলদস্যুরা নদীতে ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে রাতে অভিযান করে কোস্টগার্ডের একটি টিম। কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে জলদস্যুরা গুলি ছুঁড়লে কোষ্টগার্ডও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার সময় তিন জলদস্যুকে আটক করা হয়। পরে জলদস্যুদের আস্তানা থেকে একটি পিস্তল, দুটি বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি, চারটি পাইরোটেকনিক (সাউন্ড গ্রেনেড) ও পাঁচটি দেশীয় রামদা উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার পাঠানো আম পেয়ে আমি অভিভূত: মোদি
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আব্দুর রব দীর্ঘদিন থেকে নদীতে ডাকাতি করে আসছে। তার বাড়ি হাতিয়ার পাশ্ববর্তী রামগতি উপজেলায়। সে হাতিয়ার সীমানা এলাকা টাংকির ঘাটে সাধারন মানুষকে জিম্মি করে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
আব্দুর রবের বিরুদ্ধে হাতিয়া থানাসহ পাশ্ববর্তী অন্যান্য থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। আটক জলদস্যুদের অস্ত্রসহ হাতিয়া থানায় সৌপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড বাদী হয়ে অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে মামলা করা হবে।
একাত্তর/আরবিএস
