আমরা এমন একটি বিশ্বে এখন বসবাস করছি যেখানে খ্যাতি আর ব্যক্তিগত গল্প মাঝেমধ্যে একাকার হয়ে যায়। ফুটবল কিংবদন্তী পেলের জীবনে বেশ কয়েকটি ঘটনার সঙ্গে এই প্রবণতা মিলে যেতে গেছে বহুবার। তার উত্তরাধিকার দাবি করে অনেক মেয়ে খ্যাতি পেতে চেয়েছেন, কেউ সফল, কেউ বা বিফল হয়েছেন।
ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে তার জীবনে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তার এই জীবনের সুযোগ নিতে চেয়েছেন অনেকে। সাম্প্রতিক সময়ে তেমনই এক মেয়ে পেলের সন্তান হিসাবে নিজেকে দাবি করেছেন। কিন্তু ডিএসএ পরীক্ষায় দেখা গেছে মেয়েটির পেলেন সন্তান নন। পরীক্ষার ফল নেগেটিভ।
পেলের ছেলে জানিয়েছেন, ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে সে আমাদের বোন নয়। পেলের কন্যা দাবি করা এই নারীর পরিচয় নিয়ে খুব বেশি জানা যায়নি। গত মার্চে তিনি আলোচনায় আসেন, যখন পেলের রেখে যাওয়া সম্পত্তির উত্তরাধিকারী নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

পেলে বেঁচে থাকতেই ‘ডিএনএ’ পরীক্ষার কথা ছিলো। তবে, করোনা মহামারির কারণে পেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। যে কারণে তখন ডিএনএ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। পেলের ৫৩ বছর বয়সী ছেলে এদিনিও এখন তার বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন।
পেলে আইনিভাবে তিনবার বিয়ে করেছেন এবং অন্যান্য সম্পর্ক থেকে তার বেশ কয়েকটি সন্তানও রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন রোসেমেরি ডস রেইস চোলবি, যাকে তিনি ১৯৬৬ সালে বিয়ে করেছিলেন। এই দম্পতির দুই মেয়ে ও এক ছেলে। ১৯৮২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
পেলের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন অ্যাসিরিয়া লেমোস সেক্সাস। এই দম্পতি ১০৯৬ সালে বিয়ে করেন। তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে, যারা যমজ। ২০০৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ১০১৬ সালে জুলাই মাসে পেলে মার্সিয়া আওকিকে বিয়ে করেন। তিনি ছিলেন একজন জাপানি-ব্রাজিলিয়ান চিকিৎসক।
পেলের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক থেকে তার দুটি কন্যা রয়েছে। প্রথমটি ১৯৬৪ সালে তার গৃহকর্মীর ঘরে জন্মে ছিলো। দ্বিতীয়টি ১৯৬৮ সালে এক সাংবাদিকের ঘরে, যার সাথে পেলের পরকীয়া ছিলো।
নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে পাকিস্তানের রাজনীতিতে