এখন দেশে ৬৪৮ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন বলে যেই আলোচনা চলছে নীতি-নির্ধারকরা চাইলে বিষয়টি স্পষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল-দুহাইলানের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রীরা যখন শপথ নেন তখন আগের মন্ত্রিসভা বাতিল হয়ে যায় কিন্তু সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও আগের সংসদ বাতিল হয় না এমন অস্পষ্টতা নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ব্যাপারটা হচ্ছে সংবিধানে এখন যা আছে, সেভাবেই দেশ চলছে এবং এটা আজকে সংবিধানে সন্নিবেশিত করা হয়নি, এটা চতুর্দশ সংশোধনীতে সংযোজন করা হয়েছিল। এখন যে বিষয়টা নিয়ে আলাপ করা হচ্ছে, এটার বোধহয় খুব একটা গুরুত্ব নেই। তারপরও আমি বলবো, নীতি-নির্ধারকরা যদি মনে করেন এখানে কিছু বিষয় আরও স্পষ্ট করার প্রয়োজন আছে, সেটা দেখা যাবে।
কোন কোন জায়গাটা স্পষ্ট করার প্রয়োজন এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি এখনো বিষয়টি নিয়ে জানি না। নীতি-নির্ধারকরা প্রয়োজন বোধ করলে কোন জায়গায স্পষ্ট করা প্রয়োজন সেই বিষয়ে নীতি-নির্ধারকেরা সিদ্ধান্ত নেবেন। আমার মনে হয় এখন যা হয়েছে সবকিছুই সাংবিধানিকভাবেই হয়েছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল-দুহাইলানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশের অনেক কর্মসংস্থান আছে। সেখানে আমাদের শ্রমিকরা যাচ্ছেন। সৌদি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উন্মুখ। পারস্পরিকভাবে তাদের (সৌদি) বিনিয়োগ কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায়, সেসব বিষয় নিয়ে একটি চুক্তি সই করার জন্য আমরা আলোচনা করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দিক থেকে সেই চুক্তি সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছে। সৌদি আরবের বিচার মন্ত্রণালয়ে সেটি আছে। সেই চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে আমাদের মধ্যে আজ আলোচনা হয়েছে।
সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও ভাতৃত্বের সম্পর্ক গভীর উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ সম্পর্ককে আমরা আরও গভীর করতে চাই। তিনি বলেছেন, সারা মুসলিম বিশ্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তাদের বোন হিসেবে মনে করেন। তারা এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে অত্যন্ত আগ্রহী৷
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ