ইসরাইলের জারিত শহরে একটি সামরিক নজরদারি ব্যবস্থার ওপর হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। হামলায় নজরদারি ব্যবস্থাটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তেল আবিব।
বৈরুত ভিত্তিক আরবি ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল আল-মায়াদিন জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ওই নজরদারি ব্যবস্থার ওপর গোলাবর্ষণ করে তা ধ্বংস করে।
দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী ইসরাইলের জারিত শহরের একটি আউটপোস্টে কিছুদিন আগে ওই নজরদারি ব্যবস্থা বসিয়েছিল নেতানিয়াহু সরকার।
নজরদারি ব্যবস্থা ধ্বংসের তথ্য নিশ্চিত করে হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানায়, গাজায় গণহত্যা শুরুর পর এই প্রথম ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ফালাক-১ নামের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে তারা। এ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অধিকৃত গোলান উপত্যকার একটি সেনা ব্যারাকেও হামলা চালিয়েছে সংগঠনটি।
এদিকে গতকাল লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসরাইলের একটি সেনা সমাবেশেও হামলা চালায়। উত্তর ইসরাইলের হিউনিন ক্যাসেলের কাছে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা ইসরাইলের সীমান্তবর্তী অঞ্চলেও ব্যাপকভাবে রকেট ও ট্যাংক বিধ্বংসী গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়াও ইসরাইলের হানিতা ব্যারাক, আভিভিম বসতি, ডোভিভ বসতি, মেটুলা এবং শ্লোমি বসতিসহ অন্যান্য অঞ্চলে রকেট এবং অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে তারা।
গেলো অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ২৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
ইসরাইলি গণহত্যার প্রতিবাদে হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা উত্তর ইসরাইল সীমান্তে দখলদার সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে প্রতিদিনই হামলা চালাচ্ছে।
ব্রিটেনে আবারও পরমাণু বোমা বসাচ্ছে আমেরিকা
প্লেনের ইমার্জেন্সি দরজা খুলে ফেললেন যাত্রী