টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড় পর্যন্ত ফোর লেনের কাজ শেষ না হওয়ায় এবারও ঈদ যাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা করছেন যাত্রীরা। তারা জানান, ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে ২৬ জেলার মানুষ যাতায়াত করেন। যে কারণে ঈদে বাড়ে যানবাহনের বাড়তি চাপ। যদিও পুলিশ বলছে, গতবারের মতোই এবারও যানজট কমাতে তারা তৎপর আছেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনে নির্বিঘ্নে ঈদ যাত্রা করতে পারেন ২৬ জেলার মানুষ। কিন্তু বিপত্তি বাধে এলেঙ্গা থেকে সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত। এখানকার ১৩ কিলোমিটার পথের কাজ শেষ না হওয়ায় যানবাহনগুলোকে এখনো দুই লেনেই চলতে হয়। যে কারণে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।
তবে গত দুই ঈদের আগে ফিটনেসবিহীন গাড়ি তদারকি, যানজট নিরসনসহ জেলা পুলিশের তৎপরতায় স্বস্তির ঈদ যাত্রা করেছেন সবাই।
চালক ও যাত্রীরা বলছেন, এবারও পুলিশ প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিলে ঈদ যাত্রা ভালো হবে।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ঈদে উত্তরের ঘরমুখো মানুষের সার্বিক সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এবছর এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে জোকারচর থেকে সেতু পর্যন্ত চার কিলোমিটার সড়কে ফোর লেনের সুবিধা পাবে মানুষ।
মধুপুর (এলেঙ্গা) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, বড় কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনা না হলে এবারের ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি হবে না।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, যে বাসগুলো যাত্রী তুলবে তারা একটা লেনে যাবে, আর অন্য বাসগুলো ডানপাশ দিয়ে চলে যাবে।
স্বাভাবিক সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ১২ থেকে ১৫ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও ঈদে ৪৫ থেকে ৫০ হাজারেরও বেশি যানবাহন চলাচল করে।
হঠাৎ বেড়েছে চালের দাম