বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জুলাই মাসে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে সে দেশের সরকার।
বুধবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তার দেশের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীকে পৌঁছে দেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, চীন সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন।
গত জানুয়ারিতে পঞ্চমবার ও টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। জুলাইয়ে সফর হলে, এটাই হবে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান মেয়াদের প্রথম চীন সফর।
চীনের রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে নজরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। সরকারি হিসাবে, গত অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিলো সাড়ে ১৮ বিলিয়ন ডলারের মতো।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানান নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আলাপকালে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে চীনের সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
‘প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চল এতদিন অবহেলিত ছিলো। আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো সরকারই এই এলাকার উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।’
শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মা সেতুর মাধ্যমে ইতোমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন হয়েছে। সরকার চায়, এই অঞ্চলকে অর্থনৈতিকভাবে আরো এগিয়ে নিতে চীন সহায়তা করবে।
এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন বলে জানান স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম। ইয়াও ওয়েন বলেন, শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন। তিনি বিশ্বনেতা।
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পন্নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় চীন সবসময় পাশে থাকবে বলে জানান দেশটির রাষ্ট্রদূত।
সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিনদুপুরে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে থানচির দুই ব্যাংকে ডাকাতি