দখলদার ইসরাইল যদি লেবাননে আগ্রাসন চালায় তাহলে ইসরাইল এবং তার ক্রাইম পার্টনার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবে ইরাকের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিরোধ বাহিনী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)। এরইমধ্যে তারা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
বুধবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি'কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন আইআরআই ফিল্ড কমান্ডার বলেন, ইসরাইল লেবাননের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন চালালে হামলার বদলে হামলা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কমান্ডার আরও বলেন, এরইমধ্যে তারা লেবাননে সামরিক বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা পাঠিয়েছেন।
এদিকে, ইরাকের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী বায়দার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দখলদার ইসরাইল এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ আন্দোলনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে তা শুধুমাত্র লেবাননের ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ইরাক এবং এই অঞ্চলের সমস্ত সশস্ত্র সংগঠন এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।

গেলো আট মাসে গাজার ফিলিস্তিনিদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে নানা লক্ষ্যবস্তুতে অসংখ্য হামলা চালিয়েছে আইআরআই ।
সবশেষ মঙ্গলবার সংগঠনটি ইসরাইলের হাইফা শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
আইআরআই ছাড়াও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী, গাজার হামাস সরকার ও ইরানের মতো শক্তিধর দেশ হিজবুল্লাহর পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
এর আগে গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন এক লাখের বেশি মানুষ।
চলমান এ গণহত্যার প্রতিবাদে ইরাক, ইরান, লেবানন, ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের একাধিক রাজনৈতিক সংগঠন ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সংগঠনগুলো বলছে, গাজায় গণহত্যা বন্ধ না হলে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে হামলা চলতে থাকবে।
আবারও আলোচনায় ইসরাইলের ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্র
রকেটের আগুনে উত্তর ইসরাইলের ১০ স্থানে দাবানল