রাজধানীর পল্লবীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শেখ মো. সাকিব রায়হান হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের চার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির পল্লবী থানা পুলিশ।
সোমবার রাতে পল্লবী থানার মুসলিম বাজার এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- আওয়ামী লীগের পল্লবী থানার ২নং ওয়ার্ড সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. দেলোয়ার হোসেন, পল্লবী ই-ব্লক ইউনিট সভাপতি ইসমাইল হোসেন জাবেদ, পল্লবী ডি-ব্লক ইউনিট সভাপতি মো. ইফতেখারুল চৌধুরী চমন ও পল্লবী সি-ব্লক ইউনিট সাধারণ সম্পাদক মো. লাল মিয়া মল্লিক।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিরপুর-৬ এলাকায় ভিকটিম মো. সাকিব রায়হান হত্যার ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর পল্লবী থানায় একটি মামলা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই বিকেলে মিরপুর-৬ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সামনের রাস্তায় আন্দোলনরত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নির্বিচার গুলিবর্ষণ ও এলোপাতাড়ি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
এসময় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ছোড়া গুলিতে মো. সাকিব রায়হান বুকে গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় মামলার তদন্তকালে গোয়েন্দা তথ্য ও ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সাকিব রায়হান হত্যায় জড়িত ওই চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আবারও রিমান্ডে দীপু-সালমান-পলক ও মামুন