পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা আছে তা চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা গেলে বাস্তবায়নে অগ্রগতি বাড়বে।
শনিবার (১৯ জুলাই) বেলা ১১টায় রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউজের মিনি কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র বলেন, ফলপ্রসূ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আশা করি, সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো।
এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, এই সভা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে যে, যদি সব পক্ষ সম্মিলিতভাবে চুক্তির বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করে, তাহলে পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব।
সুপ্রদীপ চাকমা জানান, কমিটি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে সুপারিশ করবে। প্রয়োজনে সাব-কমিটি গঠন করে কার্যক্রম এগিয়ে নেবে।
কমিটির সদস্যরা জানান, বর্তমান সরকার চুক্তির বাস্তবায়নের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ইতিমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি পুনর্গঠনের মাধ্যমে কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজকের সভায় চুক্তির আওতায় ভূমি সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সভা শেষে সিদ্ধান্ত হয়, কমিটি অবিলম্বে কার্যক্রম শুরু করবে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার মাধ্যমে চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।
আট সদস্য বিশিষ্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কনকন চাকমা, উপ সচিব মঙ্গল চন্দ্র পাল, উপ সচিব শামসুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য গৌতম চাকমা।
