বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যে পড়তে যাওয়া গাজার ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীরা এখন তাদের পরিবারের সদস্যদেরও সঙ্গে নিতে পারবেন। পরিবার আনার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে সরকারি পদক্ষেপ নেয়ার পরেই এই অনুমতি মিললো।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, আগে প্রচলিত শিক্ষার্থী ভিসার নীতি অনুসারে, পরিবারের সদস্য ও সন্তানদের ব্রিটেনে সঙ্গে নিয়ে আসার অনুমতি না থাকায় শিক্ষার্থীরা তাদের বৃত্তি গ্রহণ করতে পারছিলেন না। নতুন পদ্ধতিতে এবার সে সংকট দূর হলো।
ওই খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সংসদ সদস্য (এমপি), শিক্ষাবিদ এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে জোরদার তদবিরের পর বিট্রিশ সরকার পুরনো নিয়ম পরিবর্তন করেছে।
সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, সংঘর্ষময় দুটি বছর পার করার পর যুক্তরাজ্যে পড়তে আসা গাজার শিক্ষার্থীরা এক ভয়াবহ অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে গেছে। তারা অকল্পনীয় কষ্ট সহ্য করেছে, তবে এখন তারা আমাদের বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার মাধ্যমে তাদের জীবন পুনর্গঠন শুরু করতে পারে।
তিনি আরো বলেন, এ কারণেই আমরা বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নির্ভরশীল (পরিবারের সদস্য) যারা অভিবাসন নীতি অনুসারে এখানে অধ্যয়নের জন্য যোগ্য, তাদের ক্ষেত্রে আমরা প্রতিটির ভিত্তিতে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছি।
ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন আইন চালুর পর থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৫ জন শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। তারা প্রত্যেকেই পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি পেয়েছেন।
অক্টোবরের শুরুর দিকে, ১০০ জনেরও বেশি সংসদ সদস্যের (এমপি) একটি আন্তঃদলীয় গোষ্ঠী সরকারের কাছে এই ছাড় দেয়ার দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে তারা ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের দুরবস্থার বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।
শরণার্থী কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এনভার সলোমন বলেছেন, গাজার ভয়াবহ ধ্বংসলীলা থেকে পালিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের এটা বলাটা অত্যন্ত নির্মম যে তারা এখানে নিরাপদে পড়াশোনা করতে পারলেও, প্রিয়জনদের ছেড়ে আসতে হবে। কাউকেই শিক্ষা ও পরিবারের মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা উচিত নয়।
ট্রাম্পের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা শুরুর নির্দেশে উত্তেজনা বাড়লো