জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আইডি হ্যাক করে আমার নামে জঘন্য মিথ্যাচার করা হয়েছে। যারা এ কাজ করেছে, তারা চিহ্নিত হয়েছে। তাদের পেছনে কারা আছে তাও খুঁজে বের কর হবে। আমাদের অপবাদ দিয়ে ঠেকানো যাবেনা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) চট্রগ্রামের বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় আমির জামায়াত বলেন, একটি দল যখন ক্ষমতায় ছিলো, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্রী হলে মেয়েদের সঙ্গে যে আচরণ করেছে, তা সবাই জানে। তারাই আজ আমার নামে মিথ্যাচার করছে।
দলটিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, একদিকে ফ্যামিলি কার্ড, আরেকদিকে মায়েদের গায়ে হাত। আমার মায়ের ইজ্জতের কাছে এসব কার্ড নস্যি।
আমরা কোনো দলকে পেটের ভেতর হজম করি নাই মন্তব্য করে ডা. শফিকুর বলেন, জোটের সব দল নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করছে। একটি দলকে বিলুপ্ত করে পেটের ভেতর হজম করা অপমানের শামিল।
জামায়াত আমির বলেন, যুবসমাজ যে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল, তাদের মূল দাবি ছিল ন্যায্যতা। যারা সে ন্যায্যতা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিন বলেন, ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে এবং আল্লাহর দেওয়া বিধানের আলোকে বাংলাদেশকে একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় জামায়াতে ইসলামী। যুবসমাজ ভিক্ষা বা বেকার ভাতা চায়নি, তারা কাজ চেয়েছে এবং দেশ গড়তে চেয়েছে।
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে যুবসমাজকে বেকার ভাতা দিয়ে ‘অসম্মান’ করা হবে না, বরং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যুবসমাজকে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে আনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
নারীর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মা-বোনদের ঘরে, চলাচলে ও কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মায়ের মর্যাদা রক্ষায় আমরা সর্বশক্তি প্রয়োগ করবো।
চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি গোষ্ঠী বন্দরকে কেন্দ্র করে সুবিধা নিয়েছে। ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দর জনগণের স্বার্থেই পরিচালিত হবে।
