দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির পাশাপাশি হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে রোগীদের মৃত্যুর মিছিল আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২২২ জনে।
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১৪ জনের মধ্যে হামের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা গেছে। এই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে ৫১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে হিসেব করলে, এ পর্যন্ত দেশে মোট ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৮৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৩২৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া আটজনের ভৌগোলিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এদের মধ্যে তিনজন ঢাকা বিভাগের, দুজন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
চলতি বছরে বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর হিসেবে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ৫০১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া সিলেট বিভাগে ১৯৯ জন, চট্টগ্রামে ১০৫ জন, রাজশাহীতে ৯৩ জন, ময়মনসিংহে ৮৭ জন, বরিশালে ৬৫ জন, খুলনায় ৫১ জন এবং রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্যে রোগী ও মৃত্যুর নির্দিষ্ট বয়সভিত্তিক কোনো বিভাজন উল্লেখ করা হয়নি। ফলে কোন বয়সী মানুষ কিংবা শিশুরা বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে, তা পরিষ্কার নয়। তবে রোগতত্ত্ববিদদের মতে, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারলেও কোমলমতি শিশুরা এই রোগে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপ্রবণ থাকে।
ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭৭, আক্রান্ত ১ লাখ ২১ হাজার
জাতিসংঘ দিবসে বহুপক্ষীয় কূটনীতি ও বিশ্বশান্তির বার্তা প্রধানমন্ত্রীর