জাপানে চার দিনের অত্যন্ত সফল ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার জাপানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১৮ মিনিটে) প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে। ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে টোকিও পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে ২৭ অক্টোবর এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন তিনি। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা এবং শিল্প খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। বৈঠক শেষে দুই দেশের পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
টোকিওতে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সুপ্রসিদ্ধ অটোমোবাইল ও শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে’ অংশ নিয়ে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অফুরন্ত সম্ভাবনা ও বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের রূপরেখা তুলে ধরেন।
সফরের অন্যতম মাইলফলক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জাপানের রাজপ্রাসাদে দেশটির সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ ছাড়া সফরের শেষ পর্যায়ে জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আয়োজিত সংবর্ধনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দেশের উন্নয়ন ভাবনায় প্রবাসীদের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের শীর্ষ নেতৃত্ব, শিল্পোদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই নিবিড় আলোচনা বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে।
জাপানে টয়োটার কারখানা পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর