পুঁজিবাজারে স্বল্প মূলধনী কোম্পানির শেয়ারগুলো আবার তেজি। এর পেছনে আবারো সংঘবদ্ধ কারসাজির কথা বলছেন বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারসাজি সংঘের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিশন চাইলে সন্দেহজনক শেয়ারের লেনদেন সাময়িক বন্ধ করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে।
গেলো প্রায় ১৫ দিন যাবৎ বাজারে টানা বাড়ছে দুর্বল মৌল ভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিগুলোর দাম। কমিশন জানতে চাইলে কোম্পানিগুলোর অনেকেই জানায়, কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।
অন্যদিকে বাজারে দীর্ঘদিন ক্রেতাশূন্য থেকে ফ্লোর প্রাইসে পড়ে আছে অনেক বড় মূলধনী কোম্পানি।
বাজারের এমন আচরণকে অস্বাভাবিক বলছেন সংশ্লিষ্টরা। যার মূল দায় স্বল্প সময়ে লাভ করতে চাওয়া বিনিয়োগকারীদের উপর দিচ্ছেন তারা।
এদিকে বাজারের এমন পরিস্থিতির জন্য সংঘবদ্ধ এক শ্রেণির বিনিয়োগকারীর গুজব ছড়ানোর কথা বলছেন শেয়ারবাজার বিশ্লেষক আল আমিন।
তিনি বলেন, কারসাজিতে লিপ্ত ওই সব চক্রকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে প্রায় ছয়মাস সময় লাগে কমিশনের। আর এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের ক্ষতিতে পড়ে যায়।
আরও পড়ুন: চালের বাজার কমতির দিকে হলেও যথেষ্ট নয়
এদিকে, আইনজ্ঞ এম এ মাসুম বলছেন, কমিশন চাইলে বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে সাময়িক সময়ের জন্য লেনদেন স্থগিত করে দ্রুত বিচারিক ব্যবস্থা নিতে পারে।
পুঁজিবাজারে কারসাজির ঠেকাতে বিচার প্রক্রিয়াকে আরো দ্রুত করার পরামর্শও দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
একাত্তর/আরএ
