কোরবানির ঈদকে ঘিরে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ, হিলিসহ দেশের মসলার বাজারে এখন ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে।
এদিকে, খাতুনগঞ্জে জিরা, এলাচ ও লবঙ্গের দাম দেড় থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। তবে মসলার বাজারে আসা ক্রেতাদের অভিযোগ গতবারের তুলনায় এবার মসলার দাম অনেকটাই বেশি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলার সঙ্কট ও শুল্কহার বাড়ার কারণে আমদানি কম। যে কারণে দাম বাড়তি।
খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকায়। আর খুচরা বাজারে জিরা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকার বেশি দামে। পাইকারি বাজারে এলাচ মানভেদে এক হাজার ২৫০ থেকে দুই হাজার তিনশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি ১০০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ থেকে ৪০০ টাকা। আদার দাম এখনো বাড়তি।
মসলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানির ঈদে এমনিতেই মসলার চাহিদা বেশি থাকে। ডলার সঙ্কট, শুল্কহার বৃদ্ধির কারণে এলাচ ও জিরার আমদানি এবার কম।
দিনাজপুরের হিলিতে তিনদিনের ব্যবধানে জিরার দাম বেড়েছে কেজিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।
বিক্রেতারা বলছেন, বন্দর থেকে বেশি দামে মসলা কিনে বেশি দামে বিক্রি করার জন্য ক্রেতা কম পাচ্ছেন।
ক্রেতারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে সবসময় মসলার দাম কম। তাই ঈদের সময় হিলিতে মসলা কিনতে এসেছেন তারা। কিন্তু মসলার দাম দিগুণ হওয়ায় তারা ক্ষোভ জানান।
হিলিতে মসলার আমদানিকারক শাহিনুর রেজা শাহিন জানান, ভারতে মূল্যবৃদ্ধি ও অধিকহারে শুল্কের কারণে জিরার দাম বাড়ছে। শুল্ক প্রত্যাহার করা হলে জিরার দাম কমতে পারে বলে জানান তিনি।
হিলি বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৪-৫টি ভারতীয় ট্রাকে জিরা ও মেথি আমদানি হচ্ছে।
একাত্তর/জো
