লালবাগের পোস্তার আড়ত থেকে লবণযুক্ত চামড়া নিতে শুরু করেছেন ট্যানারি মালিকরা। যদিও চামড়া দরদামে সরকারি মূল্যকে উপেক্ষিত করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে মানের ওপর। এরই মধ্যে পোস্তার ৬৫ শতাংশ চামড়া বিক্রি শেষ, বাকি ৩৫ শতাংশ শেষ হবে এক সপ্তাহের মধ্যে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পোস্তার আড়ত থেকে ট্রাকে উঠানো হচ্ছে লবণ দেওয়া চামড়া, গন্তব্য সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্প নগরী।
পোস্তার বেশির ভাগ আড়তদারই আগে থেকেই ট্যানারি মালিকদের সাথে চুক্তিবদ্ধ থাকে, তারা কাঁচা চামড়া কিনে লবণযুক্ত করেন। তবে লবণযুক্ত চামড়া বিক্রিতে সরকারি দামটা প্রায়ই উপেক্ষা করে।

ব্যবসায়ীদের মতামত নিয়েই সরকার লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে বেচা-কেনায় কেনো সরকারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভাঙছেন ব্যবসায়ীরা সেটাও জানালেন পোস্তার আড়তদার সমিতির এক নেতা।
হাইড অ্যান্ড স্কীন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আফতাব খান বললেন, দরকষাকষি করতে হবে, এটা আমাদের ব্যবসায়ের নিয়ম।

যদিও ট্যানারি মালিক সমিতির দাবি সরকারি মূল্যেই লবণযুক্ত চামড়া ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে, তবে মান ভেদে অনেক সময় সরকারি দামে চামড়া কেনা সম্ভব হয় না।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোহাম্মদ সাখাওয়াত উল্ল্যাহ বলেন, আমাদের গত বছরের তুলে প্রায় দেড়শ’ থেকে দুইশ’ টাকা বেশি দিয়ে এবার চামড়া সংগ্রহ করতে হয়েছে।

এদিকে ঢাকার পাশাপাশি সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন জেলার লবণযুক্ত চামড়া।
ছাগলের চামড়ার দাম এত কম কেন!