আসন্ন ঈদ উপলক্ষে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের লক্ষে সহজ শর্তে ১৪ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা চেয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের বাণিজ্যিক সংগঠন বিজিএমইএ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে দেখা করে সংগঠনটি দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সহায়তা দাবি করে।
বিজিএমইএ নেতারা জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যবসায় মন্দা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রণোদনা না পেলে শ্রমিকদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শিহাব উদ্দুজা চৌধুরী জানান, তারা প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের পরিমাণ পাঁচ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করা এবং এই তহবিলের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’-এ বিদেশি বিনিয়োগ আনার প্রস্তাব নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিনকাসেম আরমান।
বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, নগদের মালিকানা নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়। তাই গভর্নর আপাতত তাকে অপেক্ষা করতে বলেছেন। এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বিজিএমইএ ও নগদের প্রস্তাবের বিষয়ে নতুন সরকারের অবস্থান বুঝে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে, নির্বাচনের আগে ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
তারা হলেন- বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের সভাপতি এ কে এম মাসুম বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা শ্রাবণ ও নীল দলের সাধারণ সম্পাদক নওশাদ মোস্তফা।
মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ১০ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।
