কানায় কানায় পূর্ণ বসিলার ৪০ ফিট এলাকার গরু ছাগলের হাট। ৬০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকার গরু মিলছে এই হাটে। তবে এখনও ক্রেতার দেখা নেই।
বেপারিরা বলছেন, কেউ কেউ গত পাঁচ দিনেও একটি গরু বিক্রি করতে পারেননি। আর ইজারাদাররা বলছেন, ঈদের আগের ৩ দিনে হাট জমেবে।
এদিকে হাটের প্রবেশ মুখে সিঙ্গার বেকো ক্যারাভেন থেকে পণ্য বুকিং দিলেই বিনামূল্যে বাসায় পৌঁছে দেয়া হচ্ছে কোরবানির পশু।
মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকার ৪০ ফিট হাট। এই হাটের শেষ প্রান্তে বাঁধা আছে নওগাঁ থেকে আসা কালা বাবু। এক হাজার কেজি ওজনের ফ্রিজিয়ান জাতের বিশাল গরুটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসাহীরা।
কালা বাবুর দাম চাওয়া হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। চার বছর বয়সী গরুৱর ঠিকঠাক দাম পাবেন বলে আশা বিক্রেতার।
সারিসারি গরুর দাঁড়িয়ে আছে হাটে। কিন্তু যাদের জন্য এত আয়োজন, সেই ক্রেতার দেখা নেই এখনও। ক্রেতা শূন্যতার কারণে অলস সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা।
বসিলারহাটে ৮ থেকে ৪০ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে খাসি। দু’একজন ক্রেতা যারা আছেন তারাও বলছেন এবার পশুর দাম গেলোবারের চেয়েও বেশি।
ইজারাদার বলছেন সরকারি ছুটি শুরু হলেই ক্রেতার ভিড় বাড়বে। কারণ রাজধানীর হাটের এটাই চিত্র।
বসিলা হাটের প্রবেশ মুখেই ‘বড় ঈদে স্বস্তির, ভরপুর সল্যুশন’ নিয়ে ‘কোবানীর হাট উৎসব’ শিরোনামে দেখা মিলবে সিঙ্গার বেকো ক্যারাভেন।
রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেনসহ ইউরোপের এক নাম্বার ব্যান্ডের সিঙ্গার ও বেকো পণ্য কেনার সুযোগ দিচ্ছে সিঙ্গার বেকো ক্যারাভেন।
সেখানে পণ্য বুকিং দিলেই কোরবানির পশু ফ্রিতে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে সিঙ্গার। তাছাড়া মাসিক কিস্তি ও ওয়ারেন্টি সেবাতো থাকছেই।
আগামী ৫ তারিখ বৃহস্পতিবার থেকে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে বেচা বিক্রি পুরোপুরি জমে উঠবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
পশু পরিবহন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আছে সিন্ডিকেটের অভিযোগও
কমলাপুরে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়