আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সহিংসতা ও যাতায়াত বিধিনিষেধ নিয়ে একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন দূতাবাস।
ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে রাজনৈতিক সমাবেশ, ভোটকেন্দ্র এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় লক্ষ্য করে সহিংসতা বা চরমপন্থি হামলার ঝুঁকি থাকতে পারে।
মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করে এতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদও যে কোনো সময় সংঘাতপূর্ণ বা সহিংস রূপ নিতে পারে। তাই বড় ধরনের গণজমায়েত ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ যাতায়াত বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল চলাচলে এবং ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের যানবাহন চলাচলের ওপর এই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। যাতায়াত ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অন-সাইট সেবা বা সরাসরি সেবা সীমিত থাকবে।
মার্কিন নাগরিকদের জন্য দূতাবাসের দেওয়া বিশেষ নির্দেশনাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- বড় ধরনের ভিড় ও রাজনৈতিক বিক্ষোভ এড়িয়ে চলুন।
- সব সময় নিজের চারপাশ সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং স্থানীয় সংবাদ পর্যবেক্ষণ করুন।
- সতর্ক থাকুন এবং জনসমাগমস্থলে নিজের উপস্থিতি যতটা সম্ভব কম প্রকাশ করুন।
- জরুরি যোগাযোগের জন্য নিজের মোবাইল ফোনটি সবসময় চার্জ দিয়ে সাথে রাখুন।
- যাতায়াতের জন্য বিকল্প রুট বা পথ আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখুন।
জরুরি প্রয়োজনে মার্কিন নাগরিকদের দূতাবাসের (৮৮) ০২-৫৫৬৬ ২০০০ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
ব্যানার ব্যবহারে ইসির স্পষ্টীকরণ