বরিশালে মেহেন্দিগঞ্জের শ্রীপুরের মহিষমারী চর এবং ভোলার চটকীমারী চরের মধ্যে সীমানা বিরোধ নিয়ে পুলিশের গুলিতে ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ৪ নারীসহ ১১ জনকে বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম বলেন, তাদের মধ্যে নদী-ভাঙনের শিকার ৩শ’ পরিবার মহিষমারী চরে বসতি স্থাপন করে থাকছে দশকের পর দশক ধরে। সেখানে সীমান্তবর্তী ভোলা জেলার চটকীমারী চরের লোকজন এই এলাকা তাদের দাবি করে প্রায় বছরই হামলা করে আসছে।
এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা জেলার লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের এলাকার লোকজনের বসত বাড়িতে হামলা করে। এসময় তারা বাঁধা দিতে গেলে পুলিশ শর্টগানের গুলি ছুঁড়ে। এতে ২০ জনের মত আহত হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে ১১ জনকে শেরেবাংলা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন: শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে নৌকা ডুবে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভোলা-বরিশাল সীমানায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়ে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় ২৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একাত্তর/আরএ
