নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই মো. শাহদাত হোসেনসহ দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী।
বুধবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, জাল ভোটসহ এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ তুলে তারা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
ভোট বর্জন করা অপর প্রার্থী হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী ফাতেমা বেগম ওরফে পারভীন।
এসময় ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বলেন, আনারস মার্কার গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুলের পক্ষ নিয়ে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার ছেলে তাসিক মির্জা ও ভাগনেরা আমার কর্মী ও এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন। তারা সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে সিল মেরে সব ভোট কমপ্লিট করেছেন।
আমি নিজেও ভোট দিতে পারিনি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রশাসনকে এ বিষয়ে অভিযোগ জানালেও কোনো প্রতিকার পাইনি। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনারের কাছে ভোট বাতিল ও পুনরায় তফসিল ঘোষণা করার আবেদন জানাচ্ছি।
অপরদিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল বলেন, ভোটারদের কাছে যেতে আমাদের বাধা দেওয়া হয়েছে। এজন্য আমি রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেছি।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইসমাইল গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে লিখিত ও মৌখিক কোনো অভিযোগ আসেনি। আমি নিজেই কোম্পানীগঞ্জে আছি। কয়েকটি কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদেরও পেয়েছি। কোথায় কোনো কেন্দ্রে সমস্যা, সে অভিযোগ আমাকে সুস্পষ্টভাবে জানানো হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
