বহু কাঠখর পুড়িয়ে অবশেষে চট্টগ্রামের পথে রওনা হয়েছেন অপহরণের শিকার এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের ২৩ নাবিক। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কুতুবদিয়া চ্যানেলে থাকা জাহাজ ছেড়ে এমভি জাহান মণি-৩ নামে একটি লাইটার জাহাজ তীরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা। বিকেল চারটায় চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-১ জেটিতে নাবিকদের সংবর্ধনা দেবে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সেখানে দেখা হবে তাদের স্বজনদের সঙ্গেও।
কেএসআরএম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী মেহেরুল করিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নাবিকরা পৌঁছানোর পর কিছু অনুষ্ঠান শেষে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরবেন।
এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি দুবাই থেকে ৫৬ হাজার টন চুনাপাথর নিয়ে চট্টগ্রামে এসেছে। কুতুবদিয়া চ্যানেলে লাইটারেজ জাহাজ লাগিয়ে সেগুলোর কিছু অংশ খালাস করা হবে। বাকি চুনাপাথর চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এনে খালাস করবে জাহাজটি।
এর আগে, সোমবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টায় এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপকূলে নোঙর করে। গত ৩০ এপ্রিল ভোররাত ৪টার দিকে জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনা সাকার বন্দর থেকে ৫৬ হাজার মেট্রিক টন চুনাপাথর নিয়ে দেশের পথে রওনা দেয়।
১৩ এপ্রিল ভোর তিনটায় সোমালিয়ান দস্যুদের কাছ থেকে ২৩ নাবিকসহ মুক্তি পায় এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ। দস্যুদের ৫০ লাখ ডলার মুক্তিপণ দিয়ে জাহাজটি মুক্ত হয়েছে বলে আলোচনা আছে। যদিও টাকার এই অঙ্ক কখনও স্বীকার করেনি জাহাজটির মালিকপক্ষ।
জাহাজটি মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে দুবাই যাচ্ছিল। এটি ছিনতাইয়ের পর সোমালিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলের গ্যরাকাদে নোঙ্গর করেছিল। এর আগে একই মালিক গ্রুপের এমভি জাহান মনিকে নাবিকসহ ২০১০ সালে জিম্মি করেছিল জলদস্যুরা। সেবারও মুক্তিপণ দিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রামে হজ ফ্লাইট চালু