গাজীপুরে বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে তিনটি কারখানার শ্রমিক বিক্ষোভ করে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মহাসড়ক দুটি। তবে পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
মঙ্গলবার সকালে টঙ্গীতে সিজন ড্রেসেস লিমিটেড পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, সারাবো এলাকার বেক্সিমকো টেক্সটাইলস কারখানার শ্রমিকেরা কালিয়াকৈর-নবীনগর ও কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রায় অবস্থিত নায়াগ্রা টেক্সটাইলস কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ করে অবরোধ করেছেন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্পপুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা শিল্প এলাকায় টহলে রয়েছে।
টঙ্গীর খাঁপাড়া সিজন ড্রেসেস লিমিটেড পোশাক কারখানার বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানায়, তিন মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে কারখানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। পরে মিছিল নিয়ে তারা এরশাদ নগর এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে ওই মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের একপাশ অবরোধ করে গত মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করছে নায়াগ্রা টেক্সটাইলসের শ্রমিকরা। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এছাড়া সকালে সারাবো এলাকার বেক্সিমকো টেক্সটাইলস কারখানার শ্রমিকরাও বকেয়া বেতনের দাবিতে কালিয়াকৈর-নবীনগর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়ে বেতন পরিশোধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের বেক্সিমকো জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ গোলাম মোর্শেদ জানান, শ্রমিকেরা তাদের দাবি নিয়ে ওই দুটি স্থানে সড়কে নামলে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এনে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণবিয়ে, প্রশাসন অনুমতি দেয়নি