চিলড্রেন অব হেভেন খ্যাত ইরানি নির্মাতা মাজিদ মাজিদি'র মাস্টার ক্লাস। ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শুরু থেকেই ছিলো আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। অষ্টম দিনে যা রূপ নিল ইতিহাসে। যারা তার ক্লাস করেছেন, তারা তো লাইফটাইম অভিজ্ঞতার অংশ হয়েছেনই, উৎসবও পেয়েছে ভিন্নমাত্রা।
ক্লাসের আগেই মুখোমুখি হয়েছিলাম এই প্রখ্যাত নির্মাতার। সাত মিনিটের সে আলাপের শুরুতেই এলো ঢাকা প্রসঙ্গ। ফার্সিতেই কথা বললেন। আর তা বাংলা তর্জমায় হলো, প্রথমবার বাংলাদেশে এসেছি। যদিও খুব একটা দেখা হয়নি। তবে বাংলাদেশ সম্পর্কে অনেক অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। আমি অনেকবার ভারতে এসেছি। এবং ভারতের সঙ্গে এখানের অনেক মিল রয়েছে। আমি জানি, বাংলাদেশ অনেক সুন্দর একটা দেশ। মানুষগুলো অনেক সুন্দর। খুবই ভালো লাগছে আমার।
সত্যজিৎ রায়ের দারুণ ভক্ত মাজিদি। পরের প্রশ্নে জানতে চাওয়া, সত্যজিৎ প্রসঙ্গে। এলো বাংলাদেশের সিনেমা প্রসঙ্গও। বললেন, বাংলাদেশের সিনেমা এখনো দেখার সুযোগ পাইনি। তবে ভারতে আমি গিয়েছি কয়েকবার। অনেক ছবিও দেখেছি। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে আমার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি খুবই বড় মাপের নির্মাতা। আমি মনে করি, বাংলাদেশের যারা চলচ্চিত্র নির্মাণের সাথে রয়েছেন, তারা যদি সত্যজিৎ রায়কে সঠিকভাবে অনুসরণ করেন, তবে তারা খুবই ভালো মানের সিনেমা বানাবেন।
দ্য কালার অব প্যারাডাইজ, মুহাম্মদ, দ্য ম্যাসেঞ্জার অব গডের মতো মাস্টারপিস বানানো এই নির্মাতার কাছে শেষ প্রশ্ন ছিল, চলচ্চিত্রের গল্প আপনার কাছে কেমন করে ধরা দেয়?
বললেন, ইরানে অনেক বড় বড় চলচ্চিত্র নির্মাতা রয়েছেন। যেমন আব্বাস কিয়ারোস্তামি। এবং আপনারা এটাও জানেন, আমাদের সাহিত্য কত উঁচু মানের। বড় বড় সাহিত্যিক রয়েছেন আমাদের। সে সাহিত্য আমাদের চলচ্চিত্রে অনেকটা প্রভাব বিস্তার করে। নির্মাতারা কম বেশি সে সাহিত্য দ্বারা প্রভাবিত। এজন্যই আমাদের সিনেমাগুলো সবার হৃদয় কাড়ে। আমার চলচ্চিত্রেও তাই।
এবার ডিপফেক ছবির শিকার টেইলর সুইফট