গুয়াতেমালায় গৃহযুদ্ধ চলাকালীন মায়া গোষ্ঠীর নারীদের ধর্ষণের অপরাধে পাঁচ সাবেক প্যারামিলিটারি সদস্যকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।
তিন সপ্তাহের বিচারকার্যের পর মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানী গুয়াতেমালা সিটিতে সুপ্রিম কোর্ট এ রায় দেয়। সাজাপ্রাপ্তরা সিভিল সেলফ ডিফেন্স পেট্রোল নামে একটি সশস্ত্র দলের সদস্য।
মামলার প্রসিকিউটররা জানান, ১৯৮০ সালে দেশটির গৃহযুদ্ধের সময় ভুক্তভোগী আচি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীদের বয়স ছিল ১২ থেকে ৫২ বছরের মধ্যে। ধর্ষণের শিকার নারীদের মধ্যে অনেকেই তখন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
১৯৬০ সাল থেকে ৩৬ বছর ধরে চলা এই গৃহযুদ্ধে প্রায় দুই লাখ মানুষ নিহত ও নিখোঁজ হন। তাদের বেশিরভাগই ছিলেন বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর সদস্য। বামপন্থী গেরিলাদের সমর্থন করার অভিযোগে তাদের হত্যা করা হয়।
আরও পড়ুন: বিশ্বের সবচেয়ে বড় বরফ খণ্ড মিলিয়ে গেছে সাগরে
ভুক্তভোগী ও মামলার সাক্ষীরা জানিয়েছেন, তারা সবাই রাবিনাল গ্রামের বাসিন্দা। যুদ্ধের সময় এটি ছিল হামলার অন্যতম কেন্দ্র। এখানে তিন হাজারেরও বেশি মানুষের মরদেহসহ একটি গণকবর রয়েছে।
আদালতের বিচারক জারভি সিকাল বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তিস্বরূপ এই রায় দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১৬ সালে মায়ান নারীদের হত্যা, ধর্ষণ ও যৌনদাসী হিসেবে রাখার অপরাধে দুই সাবেক সেনাসদস্যকে ৩৬০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
একাত্তর/এসজে
