ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছে রাশিয়া। হামলা প্রতিরোধে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউক্রেনও। আর খারকিভে শুক্রবার রাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাত মাসের এক শিশুসহ কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছে।
রুশ যুদ্ধজাহাজ মসকোভা ডুবে যাওয়ার অপমান খুব সহজেই হজম করবে না রাশিয়া। এমন আশঙ্কাই ছিলো ইউক্রেনের। তাই সত্যি হলো। রাজধানী কিয়েভে হামলা বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে মস্কো। রাতারাতি কিয়েভের আশেপাশে হামলার মাত্রা বেড়েও গেছে খানিকটা।
হামলা চলছে দনেস্ক, লুহানস্ক ও খারকিভেও। গত কয়েকদিনের হামলায় কিয়েভেই প্রায় ৯০০ জন বেসামরিক লোক নিহতের খবর জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। আর খারকিভে শুক্রবারের হামলায় শিশুসহ বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, বন্দর নগরী মারিউপোলে দূরপাল্লার বোমারু বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এমন অভিযোগ করেছে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, এখন পর্যন্ত আড়াই থেকে তিন হাজার সেনা হারিয়েছে ইউক্রেন। তবে রাশিয়ার ক্ষতি আরও বেশি বলে দাবি করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া যে কোনো সময় পারমানবিক হামলা চালাতে পারে।
তিনি বলেন, আমি শুধু না, গোটা বিশ্বেরই সাবধান হওয়া উচিত। যেকোনো সময় সত্যিকার অর্থেই ঘটনাটা ঘটতে পারে। ভয় না পেয়ে চিন্তা করা উচিত আমাদের। কারণ এটা শুধু ইউক্রেনের সমস্যা নয়। এটা পুরো পৃথিবীর জন্যই সমস্যা হয়ে উঠবে।
ইউক্রেন সেনাদের সক্ষমতা আর রাশিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মাত্রার ওপর নির্ভর করবে ইউক্রেন যুদ্ধের সময়কাল। এমনটাই মনে করেন জেলেনস্কি। বলেন, অর্থনীতি হুমকিতে না পরলে হামলা থামাবে না রাশিয়া।
